Nabanna Chalo: নবান্ন চলো কর্মসূচি থেকে গ্রেফতার দুই শতাধিক, প্ররোচনায় পা না দেওয়ার দাবি পুলিশের
Nabanna Chalo: আরজি কর কাণ্ডে ন্যায়বিচার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিতে কলকাতা ও হাওড়া আজ অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল। কাল বাংলা বনধ ডেকেছে বিজেপি।
গেরুয়া শিবিরের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের রায়কে অগ্রাহ্য করে পুলিশ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দমন-পীড়ন চালিয়েছে। যদিও তা মানতে নারাজ পুলিশ-কর্তারা।

আজ নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) মনোজ ভার্মা ও ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। সুপ্রতিম বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির কথা বলা হয়েছিল ছাত্র সমাজের তরফে। তা কতটা শান্তিপূর্ণ ছিল সকলেই দেখেছেন।
সুপ্রতিম বলেন, আজ কাজের দিন ছিল। সকলেই নানা কাজে বেরিয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে পুলিশকে বারবার প্ররোচিত করা হয়েছে। পুলিশ আহত হয়েছে, মাথা ফেটেছে। কিন্তু এমন কিছু করেনি যা আন্দোলনকারীদের সুবিধা করে দেয়। কোনও প্ররোচনায় পা দেওয়া হয়নি। বেলাগাম, বিশৃঙ্খল তাণ্ডব চলেছে। পুলিশ যেটুকু করেছে তা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই।
সুপ্রতিমের দাবি, পুলিশের কাছে খবর ছিল সাধারণ মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে প্ররোচিত করার চেষ্টা হবে। পুলিশকে বলপ্রয়োগে বাধ্য করা হবে। সেই আশঙ্কা সত্যি হয়েছে। এদিন ১৫ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানান সুপ্রতিম।
কলকাতা পুলিশ ১০৩ জন পুরুষ ও ২৩ জন মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেফতার করেছে ৯৪ জনকে। আটকও হয়েছেন অনেকে। সুপ্রতিম বলেন, আন্দোলনকারীরা এসে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলেন। সাঁতরাগাছি দিয়ে শুরু। তাঁদের এই কাজ বিরত থাকার জন্য বারবার অনুরোধ করে পুলিশ। সংরক্ষিত এলাকায় জমায়েত যে নিষিদ্ধ সেই বার্তা কানেই তোলেননি আন্দোলনকারীরা।
ব্যারিকেড ভাঙা, পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর, ইট, বোতল ছোড়া হয়েছে বলে দাবি সুপ্রতিমের। গাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয়েছে সরকারি সম্পত্তি। পুলিশ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি সুনিশ্চিত রাখতে সমস্ত পদক্ষেপ করেছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশ-কর্তারা। ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্য়ায়ের দাবি, তিনি সকাল থেকেই রাস্তায় ছিলেন। সকাল ১১টা নাগাদ প্রথম ইটবৃষ্টি শুরু হয় পুলিশকে লক্ষ্য করে। কালকের বাংলা বনধ বেআইনি বলে আখ্যা দিয়ে রাজ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সব পদক্ষেপ করবে বলেও জানানো হয়েছে।
এরই মধ্যে কলকাতা পুলিশ ফেসবুক পেজে কয়েকজনের ছবি চিহ্নিত করে লিখেছে, এঁদের সন্ধান চাই। ছবিতে যাঁদের চেহারা চিহ্নিত করা হয়েছে তাঁদের সন্ধান জানা থাকলে অনুরোধ, তা পুলিশকে জানান সরাসরি বা সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে।












Click it and Unblock the Notifications