'আমরা প্রায় গুছিয়ে এনেছি...', মমতা সরকারের প্রতি কেন এমন মন্তব্য শুভেন্দুর?
'আমরা প্রায় গুছিয়ে এনেছি...', মমতা সরকারের প্রতি কেন এমন মন্তব্য শুভেন্দুর?
ফের তৃণমূলকে চরম হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর। ইতিমধ্যে ডিসেম্বরের মধ্যেই কার্যত তৃণমূল সরকার পতনের ইঙ্গিত করেছেন তিনি। যা নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই কার্যত বোমা ফাটালেন বিরোধী দলনেতা। সম্প্রতি একটি বিজয়া সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। আর সেখানে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, পুলিশ তৃণমূলকে বাঁচাতে পারবে না। এমনকি গুছিয়ে নিয়ে আসার কথাও শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতার মুখে। যা নিয়ে যাবতীয় বিতর্ক তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ঠিক কি বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী?
সম্প্রতি বিজেপির তরফে একটি বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই মঞ্চ থেকে সরাসরি তৃণমূল সরকারকে হুঁশিয়ারি তাঁর। বলেন, মমতার পুলিশ দলটাকে বাঁচানোর দায়িত্ব নিয়েছে। কিন্ত্যু পুলিশ এভাবে দলটাকে বাঁচাতে পারবে বলে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। শুধু তাই নয়, আমরা প্রায় গুছিয়ে এনেছি বলেও মন্তব্য তাঁর। কিন্ত্য ঠিক কি গুছিয়ে নিয়ে এসেছেন বিরোধী দলনেতা সেটা অবশ্য স্পষ্ট করেননি তিনি। তবে প্রাক্তন তৃণমূল নেতার আরও মন্তব্য, সিপিএমকে কীভাবে উৎখাত করা হয়েছে আমি জানি। একেও কী করে উৎখাত করতে হয় আমি জানি বলে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য।

আক্রমণ শানিয়েছেন কুনাল ঘোষ
আর এহেন মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। পালটা শুভেন্দু অধিকারীকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন কুনাল ঘোষ। তার মতে, সিবিআই এবং ইডির হাত থেকে এখন বাঁচতে চাইছেন উনি। আর সেই কারণেই উনি এমন মন্তব্য করছেন বলে দাবি তৃণমূল নেতার। শুধু তাই নয়, এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়াতে কুণালের দাবি, একটা সময় উনি এই দলটাতে ছিলেন। পরিবারের অনেকেই ছিলেন। সেখানে এমন মন্তব্য ঠিক নয় বলে দাবি তাঁর। বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে সারদা সহ একাধিক ইস্যুতে শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ শানিয়েছেন কুণাল। ফের একবার এই বিষয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ

কার্যত উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি।
বলে রাখা প্রয়োজন, মমতা সরকারের মেয়াদ নাকি ডিসেম্বর পর্যন্তই। এমন দাবি বারবার শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতাদের মুখে। এমনকি শুভেন্দু অধিকারীও মন্তব্য করেছেন এই প্রসঙ্গে। ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিজেপি নেতারা জানাচ্ছেন, তৃণমূল সরকারের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে গিয়েছে দুর্নীতি। অধিকাংশ নেতারাই দুর্নীতির দায়ে জেলে যাবে বলেও দাবি। এমনকি ডিএ সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে গেলে এমনিতেই ডিসেম্বরেই মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী পালাবেন বলে মন্তব্য শোনা গিয়েছে বিরোধী দলনেতার মন্তব্যে। আর এর মধ্যেই তাঁর এহেন মন্তব্য ঘিরে কার্যত উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি।












Click it and Unblock the Notifications