চিটফান্ড কেলেঙ্কারি: একই দিনে গ্রেফতার কেকেএন ও এমপিএস কর্ণধার

অল্প সময়ে টাকা দ্বিগুণ করে দেওয়া হবে, এই আশ্বাস দিয়ে বাজার থেকে অর্থ তুলছিল কেকেএন ও এমপিএস। আইন না মেনেই এই কাজ করা হচ্ছিল। সারদা-কাণ্ডের পর এরা সাধারণ আমানতকারীদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থ ফেরত দিতে পারছিল না। ক্রমশ জনরোষ বাড়তে থাকে। কিছুদিন আগে গা ঢাকা দেন কৌশিককুমার নাথ। বিস্তর খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। এর আগে ২০১৩ সালের মে মাসে একই অভিযোগ একবার গ্রেফতার হন কৌশিকবাবু।
অন্যদিকে, শ্যামল সেন কমিশনে এ দিন এসেছিলেন প্রমথনাথ মান্না। কেন তিনি সাধারণ মানুষের টাকা ফেরত দিচ্ছেন না, এই প্রশ্ন করা হলে আমতা আমতা করতে থাকেন। তখন তাঁকে জানানো হয়, বাঁকুড়া থানায় এই ইস্যুতে দু'টি এফআইআর রুজু হয়েছে। তাই তাঁকে বাঁকুড়া থানার পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে সন্তুষ্ট না হওয়ায় পুলিশ গ্রেফতার করে প্রমথনাথ মান্নাকে।
শ্যামল সেন কমিশনের অফিস যে থানা এলাকায় পড়ে, সেই হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশকে ডাকা হয়। পুলিশ আটক করে প্রমথনাথবাবুকে। খবর যায় বাঁকুড়া থানায়। বাঁকুড়া থানার পুলিশ এসে গ্রেফতার করে এমপিএস চেয়ারম্যান প্রমথনাথ মান্না এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রবীর চন্দকে।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সারদার পর রোজ ভ্যালির ওপর নজরদারি শুরু করেছে ইডি। খুব শীঘ্র হয়তো সিবিআই-ও তদন্ত শুরু করবে। বিরোধীরা পাছে এই অভিযোগ তোলে যে, রাজ্য সরকার এত কিছুর পরও নীরব, তাই নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। তার ফলশ্রুতি কেকেএন ও এমপিএসের বিরুদ্ধে এমন কড়া পদক্ষেপ।












Click it and Unblock the Notifications