গুরুংয়ের ডেরাতেই চক্রব্যুহ, রঙ্গিত নদী পেরোলে আর ফিরতে দেওয়া হবে না তাঁকে
পুলিশের সঙ্গে গুরুংয়ের জিএলপি-বাহিনীর সংঘর্ষস্থল ঘুরে অনেক নমুনা সংগ্রহ করেছেন। বিমল গুরুং কীভাবে দার্জিলিংয়ে প্রবেশ করত, তারপর কীভাবে পালাত, সবকিছুই এখন পুলি্শের নখদর্পণে।
গুরুংকে ধরতে রঙ্গিত নদীর চরে মোর্চা সুপ্রিমোর ডেরাতেই ঘাঁটি গেড়েছে দার্জিলিং পুলিশ। রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তারা রবিবার সেখানেই পরিদর্শনে গেলেন। একেবারে সংঘর্ষস্থলে ঘাঁটি গেড়ে পুলিশ প্রশাসন গুরুং-বাহিনীর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত হচ্ছে এবার। চক্রব্যুহ রচনা করা হয়েছে বিমল গুরুংকে ধরার জন্য। এবার আর সিকিম পেরিয়ে দার্জিলিংয়ে পা রাখলে ফিরতে দেওয়া হবে না মোর্চা নেতাকে।

আর কোনও ভুল করতে চায় না পুলিশ। আটঘাট বেঁধেই তাই যুদ্ধের প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন। শুধু সুযোগের অপেক্ষা। কোনওমতেই হাতছাড়া করা যাবে না গুরুংকে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ তো রয়েছেই সেইসঙ্গে পুলিশ খুনে অভিযুক্ত গুরুং ও তাঁর দলবল। তাই এবার যাতে চক্রব্যুহে কোনও ফাঁকফোকর না থাকে এদিন তা খতিয়ে দেখলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তা জাভেদ শামিম, নগেন্দ্র ত্রিপাঠী, মনোজ ভার্মা-রা।
পুলিশের সঙ্গে গুরুংয়ের জিএলপি-বাহিনীর সংঘর্ষস্থল ঘুরে অনেক নমুনা সংগ্রহ করেছেন। বিমল গুরুং কীভাবে দার্জিলিংয়ে প্রবেশ করত, তারপর কীভাবে পালাত, সবকিছুই এখন পুলি্শের নখদর্পণে। সেদিন কীভাবে গুরুং পালিয়ে যান, যাতে পুলিশ হামলা করলেও মোর্চা নেতা নিরাপদ থাকেন, তার ব্যবস্থাও পাকা ছিল এই ডেরায়। জিএলপি বাহিনী ঘিরে থাকত ডেরাকে। এখানেই চলত প্রশিক্ষণ।
কীভাবে রঙ্গিত নদীর চরে পাহারা দিত জিএলপি বাহিনীর সদস্যরা্, তার জন্য পাকাপাকি পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছিল। এবার সেইসব ব্যবহার করে গুরুংকে পাল্টা দিতে চাইছে পুলিশ। অমিতাভ মালিকের মৃত্যু ও অন্য চার পুলিশের জখমের প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর রাজ্য প্রশাসনও।
সেই লক্ষ্যেই এদিন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের পাঠানো হয়েছে লিম্বু বস্তিতে গুরুংয়ের গোপন ডেরায়। সোমবার সেখানে যাওয়ার কথা রাজ্য পুলিশের ডিজি সুরিজৎ কর পুরকায়স্থও। এই প্রশিক্ষণ শিবির এখন ফাঁকা। এখান থেকেই গুরুংকে ধরার সূত্র খুঁজে বের করতে চাইছে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা।












Click it and Unblock the Notifications