Mamata Banerjee Injured: মমতার আরোগ্য কামনা মোদীর, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কী জানালেন অভিষেক?
Mamata Banerjee Injured: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালেই পর্যবেক্ষণে রাখতে চেয়েছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকরা। যদিও মুখ্যমন্ত্রী কালীঘাটের বাড়িতে ফিরলেন।
আজ বাড়িতেই পড়ে গিয়েছিলেন মু্খ্যমন্ত্রী। কপালে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। তাঁকে তড়িঘড়ি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে তিনটি ছবি পোস্ট করে জানানো হয়, মুখ্যমন্ত্রী আহত, হাসপাতালে ভর্তি। দ্রুত ভিড় বাড়তে থাকে হাসপাতাল চত্ত্বরে। চোট পাওয়ার আগে তিনি একডালিয়ায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। বাড়ি ফিরেই আহত হন।
I pray for a quick recovery and the best health for Mamata Didi. @MamataOfficial
— Narendra Modi (@narendramodi) March 14, 2024
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইটে লেখেন, আমি মমতা দিদির দ্রুত আরোগ্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। মুখ্যমন্ত্রীর চোট পাওয়ার খবর শুনতে পেয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে আরোগ্য কামনা করেন উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও টুইটে মমতার আরোগ্য কামনা করেন।
লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী, কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর থেকে শুরু করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম- সকলেই মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনা করেছেন। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে নির্বাচনের প্রচারে নামুন বলে প্রার্থনা তাঁদের।
এসএসকেএম হাসপাতালের অধিকর্তা ডা. মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পিছন থেকে ধাক্কা লেগে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। সেরিব্রাল কনকাসনের লক্ষণ ছিল। তবে এখন তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রীর কপালে তিনটি ও নাকে একটি সেলাই পড়েছে বলে জানিয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালের অধিকর্তা। ইসিজি, ইকো কার্ডিওগ্রাম, ডপলার টেস্ট, সিটি স্ক্য়ান করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে থাকলেও তাঁর বিষয়ে সতর্ক থাকবেন চিকিৎসকরা। কাল ফের শারীরিক পরীক্ষা হবে। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপাল থেকে রক্ত পড়ছে, এমন ছবি তৃণমূলের সৌজন্যে ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিছু মিমও তৈরি হয়েছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর আঘাত নিয়ে মিম বা কটাক্ষ যাঁরা করছেন, তাঁদের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিরোধিতা করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বিরোধী নেতারা ঘটনার তদন্তও দাবি করেছেন। প্রশ্ন উঠছে, মুখ্যমন্ত্রীর জন্য যেখানে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকে সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার কোনও বন্দোবস্ত রইল না তাঁর বাসভবনে?
কেনই বা আহত মুখ্যমন্ত্রীর ছবি তোলার আগে তাঁর কপাল থেকে বেয়ে পড়া রক্ত মুছিয়ে দেওয়া হলো না? কীভাবে পিছন থেকে তাঁর ধাক্কা লাগল, সেটা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে জানান, মুখ্যমন্ত্রীর ভালো রকমের চোট লেগেছে। সেলাই পড়েছে। এখন স্থিতিশীল। বাংলার মানুষের আশীর্বাদে তিনি দ্রুতই সেরে উঠবেন।












Click it and Unblock the Notifications