বঙ্গ বিজেপিতে ভরসা নেই! পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারেও ভরসা সেই মোদীই
বঙ্গ বিজেপিতে ভরসা নেই! পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারেও ভরসা সেই মোদীই
অসন্তোষ আর দ্বন্দ্বেই মেতেছে বঙ্গ বিজেপি। তাই তার উপরে আস্থা রাখতে পারছে না বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এবার তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেই নামছেন প্রচারের ময়দানে। সূত্রের খবর পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য রাজ্যে ৬ থেকে সাতটি প্রচার সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ৩০ ডিসেম্বর তিনি রাজ্যে আসছেন। তবে সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনই তাঁর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।

রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
করোনা আবহেই পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। আগামী ৩০ ডিসেম্বর তিনি রাজ্যে আসছেন। একাধিক সরকারি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। হাওড়া স্টেশন থেকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন তিনি। এনজেপি পর্যন্ত সপ্তাহে ৬ দিন পর্যন্ত চলবে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। শতাব্দী এক্সপ্রেসের থেকেও দ্রুত এনজেপি পৌঁছে দেবে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। মাত্র ২টি স্টেশনে থামবে। একটি মালদহ এবং দ্বিতীয়টি নিউ ফরাক্কা।

পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে মোদী
পঞ্চায়েত ভোটে জিততে মরিয়া বিজেপি। তার তোরজোর শুরু করে দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। কয়েক দিন আগেই দিল্লিতে হয়ে গিয়েছে জরুরি বৈঠক। সেই বৈঠকে ছিলেন জেপি নাড্ডা। ছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। পঞ্চায়েত ভোটের দায়িত্ব পুরোপুরি বঙ্গ বিজেপির উপরে ছেড়ে দিতে নারাজ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এবাও প্রধানমন্ত্রী মোদী আসছেন রাজ্যে প্রচারে। সূত্রের খবর পঞ্চায়েত ভোটের আগে ৬ থেকে ৭টি প্রচার সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একাধিক জেলায় আয়োজন করা হবে সেই সভার। কিন্তু ঠিক কোথায় কোথায় সেই সভার আয়োজন করা হবে তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।

ভরসা নেই বঙ্গ বিজেপিতে
একুশের ভোটের হারের পর পুরসভা ভোটেও হেরেছে বিজেপি। এবার সামনে রয়েছে পঞ্চায়েত ভোট। লোকসভা ভোটের আগে এই পঞ্চায়েত ভোটই হতে চলেছে বঙ্গে বিজেপি ভোট ব্যাঙ্কের অ্যাসিড টেস্ট। সেকারণে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পঞ্চায়েত ভোটকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কাজেই শুভে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের উপরে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে ভরসা পাচ্ছেন না তাঁরা। বঙ্গবিজেপির নেতারা এমননিতে দ্বন্দ্বে জর্জরিত। একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই বিস্ফোরক অভিযোগ করে বসছেন। তাই একেবারেই শুভেন্দু, দিলীপ আর সুকান্তদের উপরে পুরো পুরি দায়িত্ব ছেড়ে দিতে ভরসা পাচ্ছেন না।

বঙ্গ বিজেপিতে দ্বন্দ্ব প্রকট
একুশের ভোটের পর থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এই অভিযোগ চটেছেন আদি বিজেপি নেতারা। তার উপরে শুভেন্দু অধিকারীর একের পর এক তারিখ রাজনীতি নিয়েও অসন্তোষ বেড়েছে। ডিসেম্বর ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার প্রথম ২ দিনে যা ঘটেছে তাতে শাসক দলের ধাক্কা আসা তো দূরের কথা উল্টে বিজেপি শিবিরেই বড় ধাক্কা এসেছে। শুভেন্দুর এই তারিখ রাজনীতি নিয়ে প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রকাশ্যে এসে পড়েছিল দিলীপ-শুেভন্দু দ্বন্দ্ব।












Click it and Unblock the Notifications