মতুয়া গড়ে দাঁড়িতেও CAA নিয়ে নেই কোনও কথা! নির্বাচনের আগে PM মোদীর চুপ থাকা নিয়ে নানা প্রশ্ন
শুক্রবার আরামবাগের সভা থেকে রাজ্যের তৃণমূল সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। মধ্যে একটি রাত, তারপর এদিন কৃষ্ণনগরের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী ঝাঁঝ দেখালেন তৃণমূলের প্রতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম পর্যন্ত মুখে আনলেন না। এদিন মতুয়া গড়ে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখে শোনা যায়নি সিএএ নিয়ে কোনও কথাও।
লোকসভা নির্বাচনের আগে সারা দেশে সিএএ লাগু হবে জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে বাংলায় বিরোধী দলনেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা মতুয়া নেতা শান্তনু ঠাকুরও। তারপরেও এদিন কৃষ্ণনগরের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মুখে মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে কোনও কথা শোনা গেল না। মুখে আনেননি সিএএ-র কোনও প্রসঙ্গও।

মাসখানের আগে কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেছিলেন, একসপ্তাহের মধ্যে সিএএ লাগু হবে। তারপরে তিনিই বলেছিলেন, তাঁর বলায় ভুল ছিল। প্রসেসিং চলছে। তিনি বলেছিলেন গ্যারান্টি, সিএএ হচ্ছেই। তিনি অবশ্য বলেছিলেন, এটা তাঁর গ্যারান্টি নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গ্যারান্টি।
শুধু শান্তনু ঠাকুর নন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারি প্রথম দিকে না হলেও, শেষের দিকে কার্যকর হয়ে যাবে সিএএ। সিএএ-র সঙ্গে এনআরসির কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন সিএএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ভুল বোঝাতে চাইছেন। সিএএ মানে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া নয়।
এর কিছু দিন পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক অনুষ্ঠানে প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছিলেন, লোকসভা ভোটের আগেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করা হবে। এব্যাপারে এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছিলেন, সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন জানানো যাবে। এর জন্য অনলাইন পোর্টালও তৈরি হয়ে গিয়েছে। গোটা প্রক্রিয়াই হবে অনলাইনে। তবে আবেদনকারীকে শুধু জানাতে হবে, তিনি কোন সালে বিনা নথিতে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।
দিন দুয়েক আগে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছিল, আদর্স আচরণবিধি চালু হওয়ার আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিধিগুলি সম্পর্কে জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে গোল বেঁধেছে অন্য জায়গায়। নির্বাচনের সামনে অসমের বিরোধী দলগুলি সিএএ নিয়ে রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়। তার প্রেক্ষিতে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে সিএএ-র বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই। এই আইনের বিরোধিতা করা সকলেই সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
তিনি আরও বলেছিলেন, যে আইনটি পাশ করা হয়েছে, তা সর্বোচ্চ নয়। সর্বোচ্চ হল সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচনী বন্ডের মতো যে কোনও আইন সর্বোচ্চ আদালত বাতিল করতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। এদিকে সূত্রের খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্বের জন্য যেসব আবেদনগুলি জমা পড়েছে, তার বেশিরভাগই পাকিস্তান থেকে আসা সেখানকার সংখ্যালঘুরা করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
-
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা?












Click it and Unblock the Notifications