বন্দুকের নিশানায় রেখে মাছ লুঠ, কারণ অবশ্য মূল্যবৃদ্ধি নয়!

নিরীহ ব্যক্তি : 'দাদা, মালিক নেই। আমি কী করে দিই?'
দুষ্কৃতী : 'মুখে মুখে তর্ক?' (কোমর থেকে বন্দুক বের করেই সোজা কর্মচারীর মাথায় নিশানা লাগাল)
নিরীহ ব্যক্তি : ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে দুষ্কৃতীদের হাতে তুলে দিলেন দুটো ১০ কেজি ওজনের মাছ। মুক্তি পেলেন কর্মচারী।
সোনাদানা নয়, টাকাকড়ি নয়, মাছ! হ্যাঁ মাছ। বাজারে ঢুকে বন্দুকের নিশানায় রেখে দৃষ্কৃতীদের মাছ লুঠ। না কোনও কমেডি ছবির দৃশ্য নয়। মঙ্গলবার ভোরে মহানগরে এমন ঘটনায় হতবাক মাছব্যবসায়ীরা।
শিয়ালদহ বৈঠকখানা বাজারের ঘটনা এটি। ঘড়িতে তখন প্রায় সাড়ে তিনটে বাজে। তখনও ভোরের আলো ফোটেনি। ট্রাক থেকে মাছ নামাতে শুরু করেছে কর্মচারীরা। এই সময় হঠাৎ মোটর বাইকে করে দুই যুবক এসে এক মালবাহককে মাছ বের করে দিতে বলে। মালিক নেই বলে তাই মাছ দেওয়া যাবে না একথা বলতেই ওই কর্মচারীর দিকে বন্দুক তাক করে ওই দুই যুবক। একেই অন্ধকার তার উপর সবাই কাজ করতে ব্যস্ত। কারোর চোখেই পড়েনি বিষয়টা।
সেখান থেকে মাছ না পেয়ে বাজারের অন্য এক দোকানে যায় দুষ্কৃতীরা। দোকানের কর্মচারীকে গান পয়েন্টে রেখে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে তারা। এর পর ওই কর্মচারি মাছ দিয়ে দিতেই সেখান থেকে বেরিয়ে যায় ওই দুই যুবক।
বেরনোর সময় আর এক মালবাহককে দেখে তার থেকে মাছ চায় দুষ্কৃতীরা। ওই ব্যক্তি মাছ দিতে অস্বীকার করলে ওই ব্যক্তির পা লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। গুলির আওয়াজে সবাই ছুটে এলে বাইকে চেপেই পালিয়ে যায় ওই দুই যুবক।
বন্দুক দেখিয়ে মাছলুঠ, এঘটনায় হতচকিত মাছ ব্যবসায়ীরা। প্রাথমিকভাবে তাঁদের অনুমান ছিল যে হারে মাছের দাম বেড়েছে তাতে মাছ কিনতে না পেরে লুঠপাঠ চালিয়েছে বাঙালি ওই দুই যুবক। যদিও পুলিশের অনুমান ওই দুই যুবক স্থানীয় তোলাবাজ। এলাকায় নিজেদের প্রভাব বাড়াতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications