'চাণক্য'ই ভরসা কৈলাশের! জঙ্গলমহলে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থা বোঝাতে মুকুল তুললেন ২০১৩-র কথা
'চাণক্য'ই ভরসা কৈলাশের! জঙ্গলমহলে তৃণমূলের অবস্থা বোঝাতে মুকুল তুললেন ২০১৩-র কথা
ঝাড়গ্রামে বিজেপির সভা। সেই সভাতেই মুকুল রায় (mukul roy) কে চাণক্য বলে সম্বোধন করলেন অপর হেভিওয়েট নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয় (kailash vijayvargiya) । সভায় মুকুল রায় বলেন, জঙ্গলমহলের মানুষ পরিবর্তনের জন্য তৈরি। এব্যাপারে তিনি ২০১৩ সালের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।

'চাণক্য' মুকুল রায়কে সম্বর্ধনা
মঞ্চে নিজের বক্তব্য রাখার জন্য উঠেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। শুরুতেই ভারতমাতার জয় স্লোগান। কিন্তু সেই আওয়াজে সন্তুষ্ট না হয়ে কৈলাশ বলেন. দেশের সীমান্ত শত্রুপক্ষের সঙ্গে লড়াই যুক্ত থাকা জওয়ানদের কাছে স্লোগানের আওয়াজ পৌঁছতে হবে। তারপর আওয়াজ আরও জোরে হল। এরপরেই মঞ্চ থেকে মুকুল রায়কে চাণক্য বলে সম্বোধন করেন তিনি। মুকুল দাকে হাততালি দিয়ে অভিন্ন্দন জানাতে বলেন তিনি।

ভারতীর প্রশংসায় কৈলাশ
মুকুল রায়ের পাশাপাশি স্থানীয় সাংসদ কুনার হেমব্রমকেও স্বাগত জানান কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। এরপর আসে ভারতী ঘোষের নাম। সেই সময় কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, মমতাজির সেবা করেছিলেন তিনি। কিন্তু মমতাজি পিছন থেকে ছুরি মেরেছেন।

মুকুল রায় উল্লেখ করলেন ২০১৩ সালের কথা
ভাষণ দিতে উঠে মুকুল রায় বলেন, সালটা হল ২০১৩। সভা করে নামার সময়, সভার ভাষণের কথা দুটো ছেলে বলেছিল দাদা চাল নয়, চাকরি চাই। তার আগে অবশ্য মুকুল রায় বলেছেন, সভায় ২০১১-র কথা বলার পাশাপাশি সেই সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ২ টাকা কেজি চালের কথাও বলেছিলেন। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষগুলো ভিক্ষা চাইছে না, তারা চাইছে খেতে।

একই দাবি ২০২০ সালেও
মুকুল রায় বলেন, সেই দাবি এই ২০২০ সালেও ঘুরে বেড়াচ্ছে। দাবি হল ভিক্ষা চাই না, কাজ চাই, চাকরি চাই। যুবসমাজের একটাই দাবি, উল্লেখ করেন তিনি।

মানুষ তৈরি
মুকুল রায় বলেন, সমাবেশস্থল দেখে তাঁর মনে হচ্ছে ভয় দেখালেও কিছু হবে না। মানুষ তৈরি হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, যেভাবে সাধারণ মানুষ লোকসভায় দলের প্রার্থীদের সমর্থন করেছিল, সেইভাবেই বিধানসভাতেও প্রার্থীদের সমর্থন করবেন।












Click it and Unblock the Notifications