লকডাউনের আতঙ্কে ঘরে ফেরার তাড়া মানুষের
লকডাউনের আতঙ্কে ঘরে ফেরার তাড়া মানুষের
দিন দিন বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। করোনা মোকাবিলায় প্রধান মন্ত্রীর ডাকে কোমরও বেঁধেছে সাধারণ মানুষ। অস্ত্র ? ঘর বন্দি। রোববার সেই অস্ত্র প্রয়োগ অনেকটাই সফল। আগামী পাঁচ দিনেও সেই অস্থ প্রয়োগের পালা। থাকতে হবে ঘর বন্দী। তাই সোমবার অর্থাৎ ২৩ মার্চ বিকেল ৫টা থেকে শুক্রবার অর্থাৎ ২৭ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বন্ধ থাকছে ট্রেন পরিষেবা-সহ গণপরিবহণ তাই আজ সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের ঘরে ফেরার পালা শুরু। বিকেল পাঁচটা থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে সব তাই সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন যানবাহন, বাসে উপচে পড়া ভিড় দৃশ্য চোখে পড়লো।
ধর্মতলা থেকে কলকাতার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে মানুষ ফিরছে দলে দলে। মূলত কলকাতার পার্শ্ববর্তী দুই ২৪ পরগনা, সহ অন্যান্য জেলাগুলো থেকে আসা মানুষজন যারা জীবিকা নির্বাহ করেন মহানগরী কলকাতার বুকে আজ ভিড় করে তারাই ফিরছেন ঘরে মূলত দুর্গাপুর আসানসোল নদীয়া নবদ্বীপ কৃষ্ণনগর ডায়মন্ড হারবার সুন্দরবন বসিরহাট বনগাঁ সহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ঘরে ফেরার তোড়জোড় শুরু হয়েছে ভোর থেকেই।
বাড়ি ফেরা এক ব্যক্তি জানান তিনি ড্রাইভারি করেন কলকাতার এক বাবুর বাড়িতে। কিন্তু সোমবার বিকেল থেকেই আগামী এক সপ্তাহ কোন যানবাহন চলবে না রাজ্য সবকিছুই বন্ধ থাকবে তাই এ কদিন পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে থাকবেন বলে তড়িঘড়ি বাড়ি ফিরছেন তিনি।
দুর্গাপুর থেকে আসা এক ব্যক্তি জানান তিনি কলকাতার কোন এক গেঞ্জি কারখানায় কাজ করেন সেখানে তার সঙ্গে কাজ করেন তারই এলাকার বেশ কয়েকজন তারাও বাড়ি বাড়ি ফিরছেন একসঙ্গে।
মূলত শিয়ালদা স্টেশন চত্বরে তাবু করে থাকা দোকানিরাও দোকান বন্ধ করে যে যার বাড়িতে ফিরছেন। তাই সকাল থেকেই ভিড় যাত্রীদের। ডেটলাইন এর মধ্যে বাড়ি ফিরতেই হবে। তাই তড়িঘড়ি এই বাড়ি ফেরার পালা।
তবে প্রশ্ন উঠছে, দিন দিন যে হারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে স্টেজ- থ্রি বা গোষ্ঠী সংক্রমণে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পর্যায়ে জমায়েত এড়াতে যে বিধি-নিষেধ করছে কেন্দ্র ও রাজ্যের তরফে। বিধি-নিষেধ এড়াতে বলছে প্রশাসন। যে কারণে লকডাউনের সিদ্ধান্ত প্রশাসনের। সেই জমায়েতই হচ্ছে কোন না কোনভাবে । এতে সংক্রমণ ছড়াবে না তো ?












Click it and Unblock the Notifications