জেরা চলাকালীনই 'সুপ্রিম ধাক্কা' পার্থের, আরও কেলেঙ্কারি ফাঁসের হুঁশিয়ারি
প্রায় চার ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে, এখনও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আর সেই মামলায় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি এফআ
প্রায় চার ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে, এখনও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আর সেই মামলায় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি এফআইআর করা হয়েছে।
আর সেই মতো তদন্তও চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। আর সেই মামলাতেই তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা সিবিআইয়ের। আর এর মধ্যেই আরও বড় ধাক্কা তাঁর।

জেরা চলাকালীনই সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রথমে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু সেখানে কোনও রক্ষাকবচ পাননি তিনি। আর এরপরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। মূলত সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ এড়াতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন তিনি। কিন্তু সেখানেও স্বস্তি পেলেন না পার্থবাবু। আবেদনে একাধিক এদিন ত্রুটি ধরা পড়ে। আর সেই কারণে আবেদন খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। তবে পুনরায় আবেদনের নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। মনে করা হচ্ছে, গ্রীষ্মকালীন অবসরকালীন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে।

আজ ফের জেরা
গত বুধবারের পর আজ ফের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে তলব করে সিবিআই। সেই মতো নির্ধারিত সময়েই সিবিআই দফতরে পৌঁছে যান তিনি। এরপর থেকে প্রায় চার ঘন্টারও বেশি সময় হয়ে হিয়েছে সিবিআই জেরা চলছে। বেশ কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর জানতে চান তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, , প্রথম দিন জিজ্ঞাসাবাদে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেছিলেন, এসএসসি'তে উপদেষ্টা কমিটি তৈরি করা হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু সেই কমিটির ওপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ ছিল না বলে জানিয়েছিলেন তিনি। এমনকি নিয়োগের বিষয়েও কিছু জানেন না বলেও দাবি করেছিলেন। সে বিষয়ে নতুন করে পার্থবাবুকে জেরা করা হয়েছে বলে খবর।

আরও তথ্য ফাঁসের হুঁশিয়ারি
নিয়োগ নিয়ে আরও তথ্য ফাঁস করা হবে! এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পার্থ চট্টপাধ্যায়ের সিবিআই তলব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি। ডাক স্বাভাবিক। এখানে বিজেপির কথায় তদন্ত চলছে না, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত চলছে বলে মন্তব্য বিজেপি নেতার। শুধু তাই নয়, কয়েক মাসের মধ্যেও বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকারা নিয়োগপত্র পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। এই সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য তাঁদের কাছে এসেছে বলে দাবি রাজ্য সভাপতির। আর তা খুব শিঘ্রই সামনে আনা হবে বলে মন্তব্য তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications