দিলীপ ঘোষের পিছনের সারিতে চলে গেলেন মুকুল! তীব্র শ্লেষ ‘বাচ্চা-ছেলে’র গলায়
মুকুল রায়কে উদ্দেশ্য করে ‘বাচ্চা ছেলে’ পার্থবাবুর আক্রমণ, ‘উনি আমাদের শুইয়ে দেবেন বলেছিলেন। এখন তো দেখছি নিজেই শুয়ে পড়েছেন।’
তৃণমূলে তবু নেতা ছিলেন, আর এখন তো শুধু দিলীপ ঘোষের পিছনে মুখটুকু দেখা যায়। নোয়াপাড়়া উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় নাম না করে এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন মুকুল রায়কে। তাঁর এক সময়ের সতীর্থ মুকুল রায়কে উদ্দেশ্য করে 'বাচ্চা ছেলে' পার্থবাবুর আক্রমণ, 'উনি আমাদের শুইয়ে দেবেন বলেছিলেন। এখন তো দেখছি নিজেই শুয়ে পড়েছেন।'

নোয়াপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী সুনীল সিংয়ের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে আসেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। স্বভাবতই তিনি 'বুড়ো ভাম' বলে উল্লেখ করেছিলেন যাঁকে, তাঁকে যে শ্লেষ দাগবেন পার্থবাবু, ফের 'বাচ্চা ছেলে' বনাম 'বুড়ো ভামে'র বাকযুদ্ধ শুরু হবে, তা আগাম অনুমান করাই গিয়েছিল। হলও তাই। পার্থবাবু শুরুতেই বললেন, 'আমি তো দেখতে এলাম, আমাদের চাটনিবাবু কোথায় আছেন। কই, কোথাও তো দেখতে পাচ্ছি না তাঁকে। আমাদেরই শুইয়ে দিতে গিয়ে তিনি নিজেই বোধহয় শুয়ে পড়েছেন।'
মুকুল রায়কে কার্যত দিলীপ ঘোষের পিছনের সারির নেতা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন পার্থবাবু। তাঁর কথায়, 'এভাবে কী আর নেতা হওয়া যায়। মুকুল রায় তবু আমাদের দলে নেতা ছিলেন, বিজেপিতে গিয়ে তো দিলীপ ঘোষেরও পিছনের সারিতে চলে গেলেন।' তীব্র শ্লেষের সুর পার্থবাবুর গলায়। তিনি বলেন, 'কাঁচরা পাড়ার কাঁচা ছেলে যে কাঁচা রাজনীতি করছেন, তা আগেই বলেছিলাম। কোর্ট পরে সবুজ থেকে গেরুয়া হলাম, আর নেতা বনে গেলাম, এভাবে হয় না।'

তিনি আরও বলেন, 'নোয়াপাড়ায় পদ্ম তো দূর অস্ত, একটা কুঁড়িও ফুটবে না। ভোটের ফলাফল বের হলেই বুঝতে পারবেন, কী ফল হয়।' এদিন মঞ্জু বসুকে নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় পার্থবাবুকে। পার্থবাবুর সভায় মঞ্জুদেবী উপস্থিত ছিলেন না। কেন তিনি অনুপস্থিত তা নিয়েই প্রশ্ন। পার্থবাবু এ প্রশ্নে এড়িয়ে যান। উল্লেখ্য, তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে বিজেপি। তাতে মুখ পোড়ে মুকুল রায় ও বিজেপির। ফলে তা নিয়ে উভয় দলকেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications