বিজেপির‘গামছাবাবু’কে মানসিক ভারসাম্যহীন আখ্যা পার্থর, দিলেন সু-পরামর্শও

ক্ষমতায় আসলে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের এনকাউন্টার করা হবে বলেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁকে গামছাবাবু তকমা দিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীনের সঙ্গে তুলনা করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

সম্প্রতি তৃণমূলের গুন্ডাদের এনকাউন্টার করে মারার হুমকি দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলেছিলেন ক্ষমতায় আসলে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের এনকাউন্টার করা হবে। তার প্রতিবাদে দিলীপ ঘোষকে গামছাবাবু তকমা দিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীনের সঙ্গে তুলনা করলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

বিজেপির‘গামছাবাবু’কে মানসিক ভারসাম্যহীন আখ্যা পার্থর, দিলেন সু-পরামর্শও

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের তাচ্ছিল্য, দেখবেন, রাস্তায় মানসিক ভারসাম্যহীন লোকেরা বিড়বিড় করে অনেক কিছু বলেন। পাশ দিয়ে যাঁরা যান, তাঁরা বলেন ওর মাথা খারাপ হয়েছে। ও বকছে বকুক, ওর কথা শুনিস না। বিজেপির গামছাবাবুরও হয়েছে সেই অবস্থা। তিনি প্রতিদিন বকবক করছেন, হুঙ্কার ছাড়ছেন, কিন্তু তাঁর কথা কেউ শুনছেন না।

পার্থবাবু বলেন, এতকিছুর পরও মানুষ চিনছেন না, মানুষ চিনবেনও না। তাই উনি যত পারেন বলে যান, আমাদের কিছু যায় আসে না। কারণ ওনার কথায় মানুষ তাচ্ছিল্য করে। প্রতিদিন বলছেন, পুলিশকে মারব, ডিএমকে পুড়িয়ে দেব, এনকাউন্টার করব- এ ধরনের কথা কি রাজনৈতিক নেতারা বলেন? বলেন না। বলেন, গুন্ডা-বদমাশরা।

বিজেপির‘গামছাবাবু’কে মানসিক ভারসাম্যহীন আখ্যা পার্থর, দিলেন সু-পরামর্শও

এখন বিজেপি নেতার মুখে এসব কথা। এসব কথা বলে উনি গণতন্ত্রকে বিপন্ন করছেন, মানুষকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তিনি কিছুই করতে পারছেন না। কারণ বাংলার মানুষ অশান্তি চান না। চান, উন্নয়ন। আর তাঁরা জানেন, বাংলার উন্নয়নের গতি ত্বরাণ্বিত করতে পারেন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চান। গামছাবাবুরা এবার গুন্ডামি ছাড়ুন। দয়া করে বাংলার সংস্কৃতিক কলুষিত করবেন না।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+