শাসক-বিরোধী তরজার মধ্যেই প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়, সিংহভাগই চলে যাবে বিএসএফের এলাকায়, আতঙ্কিত পার্থ
বাংলাতে বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধি। সীমান্ত থেকে ৫০ কিমি জায়গা জুড়ে তল্লাশি সহ একাধিক কার্যকলাপ চালাতে পারবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এই ক্ষমতা দিয়েছে কেন্দ্র। আর তাতেই চাপে রাজ্য সরকার। এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছে
বাংলাতে বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধি। সীমান্ত থেকে ৫০ কিমি জায়গা জুড়ে তল্লাশি সহ একাধিক কার্যকলাপ চালাতে পারবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এই ক্ষমতা দিয়েছে কেন্দ্র। আর তাতেই চাপে রাজ্য সরকার। এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবার রাজ্য বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ সরকারের। তবে এদিন বিধানবসভায় প্রস্তাব পাশ করার আগে শাসক এবং বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। বিএসএফের এক্রিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শাসলদলের বিধায়করা। পাল্টা দেন বিজেপি বিধায়করাও।
বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করতেই এদিন সকালেই আলোচনার জন্যে সময় বরাদ্দ করা হয়। আর তখন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই বিএসএফেরর ক্ষমতা রাজ্যে বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয় শাসকদলের তরফে।
এই বিষয়ে একাধিক আইনকে তুলে ধরা হয়। যদিও শাসকদলের যুক্তিকে পাল্টা খন্ডন করেন বিজেপি বিধায়করা। দুই পক্ষের তর্ক-বিতর্কের মধ্যে জমে ওঠে বিধানসভা। তবে এদিন প্রস্তাবের পক্ষে পড়ে ১১২টি ভোট, বিপক্ষে ৬৩টি ভোট। আর এই ভোটাভুটির মধ্যেই বিধানসভায় পাস হয়ে যায় বিএসএফের এক্তিয়ার-বিরোধী প্রস্তাব।
প্রস্তাব পাশ হয়ে যাওয়ার পরেই এই বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে উত্তর বঙ্গের সিংহভাগই চলে যাবে কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে। শুধু তাই নয়, বাংলার মোট ৩৭ শতাংশ এলাকা কেন্দ্রীয় সংস্থার নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে বলে মত তাঁর।
শুধু তাই নয়, রাজ্য পুলিশের অধিকার খর্ব করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ পার্থের। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পরিষদীয় দলনেতা অভিযোগ করে বলেন যে, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। ফোর্স মোতায়েন রাজ্যের অনুমতি ছাড়া হয় না। এটা সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করছ বলেও অভিযোগ পার্থের।
তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ১১ জেলা মিলিয়ে ৩২ হাজার কিলোমিটারের বেশি ভূখণ্ড BSF-এর হাতে চলে যাবে। আর এই সিদ্ধান্ত কখনও মানা হবে না বলেও এদিন জানান পার্থ। অন্যদিকে এদিন বিজেপির তরফে বলা হয় যে, কেন্দ্রীয় সরকার যে আইন আনতে চলেছে তার বিরোধীতা করা উচিত নয়। অন্যদিকে ৫০ কিমি নয়, ৮০ কিমি বিএসএফের কাজের পরিধি বাড়ানো উচিৎ বলে মন্তব্য শুভেন্দুর। যদিও এই বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান তৃণমূল বিধায়করা।












Click it and Unblock the Notifications