‘চাটনিবাবু’র ভোল বদলে অবাক পার্থ! নয়া নামের ভূষণে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন ‘বন্ধু’কে
‘বন্ধু’ মুকুলকে ‘বুড়ো ভাম’ থেকে শুরু করে ‘কাঁচরাবাবু’, এমনকী ‘গদ্দার’ বলতেও দ্বিধা করেননি পার্থ। শেষে তাঁকে ‘বন্ধু’ বলে আখ্যায়িত করলেও ফের পার্থ নতুন নামে ভূষিত করলেন মুকুলকে।
এবার দলত্যাগী মুকুল রায়ের নতুন নামকরণ করলেন 'বাচ্চা ছেলে' পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর পার্থর প্রিয় 'কাঁচরাবাবু'কে যে নামে অভিহিত করেছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সেই নামের সঙ্গেই বাবু- অলঙ্কার যোগে মুকুল রায়ের নতুন নামকরণ হল- 'চাটনিবাবু'। এর আগে 'বন্ধু' মুকুলকে 'বুড়ো ভাম' থেকে শুরু করে 'কাঁচরাবাবু', এমনকী 'গদ্দার' বলতেও দ্বিধা করেননি পার্থ। শেষে তাঁকে 'বন্ধু' বলে আখ্যায়িত করলেও ফের পার্থ নতুন নামে ভূষিত করলেন মুকুলকে।

শুক্রবার ধর্মতলায় বিজেপির সভামঞ্চ থেকে মুকুল রায় আক্রমণ করেন তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে। বিশ্ববাংলা ও জাগো বাংলা নিয়েও তৃণমূলের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তির ছোঁড়েন মুকুল রায়। মুকুলের সেই কথারই জবাব দিতে গিয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে পার্থ বলেন, 'বিশ্ব বাংলা নিয়ে যা বলার বলেছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব। জাগো বাংলা সম্পর্কে চাটনিবাবু যা বলেছেন, প্রমাণ করতে পারলে আমি পদ ছেড়ে দেব।'
সেইসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জবাব, 'কেউ এত তাড়াতাড়ি ভোল বদল করতে পারে বলে আমার জানা ছিল না। মুকুল রায় সেটাই করে দেখালেন। তিনি আরও বলেন, বেতনের টাকা দিয়ে কাগজ চালাতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে কুৎসা অপরপ্রচার চালাচ্ছেন মুকুল রায়। আমরা জানতাম বিজেপি তাঁকে দলে নিয়েছে এই কাজ করাবে বলেই।
পার্থবাবু এদিন মুকুল রায় ও তাঁর নতুন দলের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দেন, এমন দিন আসছে, মুকুল রায় কোনও দলই পাবেন না। আর এই বাংলায় বিজেপিরও কেউ টিকি খুঁজে পাবেন না। আমরা অনের গদ্দারি দেখেছি, এখনও সেই গদ্দারি দেখছি। সাদা কাগজ দেখিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তৃণমূল ঐক্যবদ্ধ।
পার্থবাবু বলেন, লন্ডন যাত্রা নিয়ে চাটনিবাবুর অভিযোগের উত্তর স্বয়ং দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসলে যেসব নেতারা দল বদলে এইসব অভিযোগ করছেন, তাদের গভীরতা অনেক কম। এঁদের এতদিন ঢেকে রাখতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দল থেকে বেরিয়ে যেতেই তাঁদের যোগ্যতা সামনে এসে পড়ছে। পাল্টা অভিযোগ ছুড়ে পার্থবাবু বলেন, মানুষ জানে কোনটা সাদা, কোনটা কালো। দলকে অন্ধকারে রেখে চৌর্যবৃত্তি করে গিয়েছেন তিনি। এদিন ক্লাব রাজনীতি নিয়ে তিনি মুকুলের অভিযোগের কোনও উত্তর দেননি।












Click it and Unblock the Notifications