লোকসভার আগে বড় ধাক্কা তৃণমূলে, মুকুলের মাস্টারস্ট্রোকে মুখ রক্ষায় নামলেন পার্থ
লোকসভার আগেই তৃণমূল শিবিরে বড় ধাক্কা নেমে এল। বিজেপিতে যোগ দিলেন বাঁকুড়া বিষ্ণুপুরের সাসংদ সৌমিত্র খাঁ। তৃণমূল নেতৃত্ব বুঝতেই পারেনি এত বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে চলেছেন সাংসদ।
লোকসভার আগেই তৃণমূল শিবিরে বড় ধাক্কা নেমে এল। বিজেপিতে যোগ দিলেন বাঁকুড়া বিষ্ণুপুরের সাসংদ সৌমিত্র খাঁ। তৃণমূল নেতৃত্ব বুঝতেই পারেনি এত বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে চলেছেন সাংসদ। মুকুল রায়ের মাস্টারস্ট্রোকের পর অবশেষে মুখ রক্ষায় নামলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সৌমিত্র খাঁকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তৃণমূল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন সৌমিত্র
পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, সৌমিত্র খাঁ বেশ কিছুদিন ধরেই দলে গুরুত্ব হারিয়েছিলেন। দলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিল না তাঁর। সাধারণ মানুষের থেকেও দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন তিনি। একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে মানুষের জন্যও কাজ করছিলেন না সৌমিত্র খাঁ।

টিকিট মিলবে না এবার, বুঝেই দলবদল
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, সৌমিত্র খাঁ বুঝতে পেরে গিয়েছিলেন, দল তাঁকে আর টিকিট দেবে না। তা বুঝতে পেরেই সোশাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে উল্টোপাল্টা প্রচার শুরু করেছিলেন। আর সেখানেও কলকে না পেয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি। বিজেপিতে যোগদানের আগেই তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ফেসবুক লাইভে গর্জন ছেড়েছিলেন সৌমিত্র
মঙ্গলবার বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খান ফেসবুক লাইভে জানান, এসডিপিও আমার আপ্ত সহায়ককে তুলে নিয়ে গিয়েছে। আমাকে খুন করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, আরামবাগ বা বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থী হতে আগ্রহী এসডিপিও সুকমল দাস। সেই লক্ষ্যপূরণে তিনি আসরে নেমেছেন। এরপরই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি বলেন, ‘আমিও দেখতে চাই কী এমন হরিদাস হয়েছেন তিনি। কত বড় হনু তাঁর পরীক্ষা নিতেই আমি বুধবার ১০টায় বিষ্ণুপুরে নামছি। পারলে আমাকে গুলি করে মারুন।'

এসডিপিওর বিরুদ্ধে মমতাকেও নালিশ
সেই ফেসবুক লাইভে তিনি জানান, এসপির কাছেও অভিযোগ জানাবেন এসডিপিও সুকমল দাসের বিরুদ্ধে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও তিনি আর্জি জানাচ্ছেন, অবিলম্বে ওই এসডিপিওকে সরিয়ে দেওয়া জন্য। এই মর্মে তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁর খুনের চক্রান্ত করছেন এসডিপিও। তাঁকে মেরে তিনি সাংসদ হতে চান।

হালে পানি না পেয়ে হাত ধরলেন মুকুলের
এরপর বাঁকুড়ায় না ফিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় অফিসে যান বুধবার। মুকুল রায়ের হাত ধরে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে। তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়ে যুব তৃণমূল সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বৈরাচারী মনোভাব সহ্য করা যাচ্ছে না। তাই দল ছাড়লাম। যদিও রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, দলে কোণঠাসা হয়ে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এবার আর টিকিট পাওয়া সম্ভব নয়। তাই তৃণমূল ছেড়ে পদ্মশিবিরে যোগ দিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications