বৈশাখীর ইস্তফা গৃহীত! বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর আশ্বাস মিলেছিল, এবার তৈরি ধন্দ
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা গ্রহণ করেননি শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি স্বপদে বহাল ছিলেন।
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা গ্রহণ করেননি শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি স্বপদে বহাল ছিলেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন সমস্ত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু তা হয়নি। ফের বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়র ইস্তফা দেওয়ার ১২ দিনের মাথায় গৃহীত হল তাঁর পদত্যাগপত্র।

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা গৃহীত
বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা গৃহীত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন টিচার ইনচার্জ নিয়োগও হয়ে গেল। নতুন টিচার ইনচার্জ হলেন পারভিন কাউর। কলেজের সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়ে এর আগে দু-বার বৈশাখীর ইস্তফার আর্জি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এরপর ৫ ডিসেম্বর ফের ইমেল করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ইস্তফার চিঠি দেন বৈশাখী।

কেন ইস্তফা গৃহীত ১২ দিন পর, ধন্দ
সেদিনও পার্থ চট্টোপাধ্যায় বৈশাখীকে আশ্বাস দেন মিল্লি আল আমিন কলেজে যাবতীয় সমস্যার সমাধান তিনি করে দেবেন। যেন ইস্তফা না দেন বৈশাখী। কিন্তু হঠাৎ সেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই কেন ১২ দিনের মাথায় ইস্তফা গ্রহণ করলেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধন্দ। বৈশাখীও তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পর বৈশাখী
বৈশাখী বলেন, রাজনীতি থেকে নিজেকে আগেই সরিয়ে নিয়েছিলাম। আমার পক্ষে অসম্মান নিয়ে রাজনীতি বা শিক্ষকতা কোনটাই করা সম্ভব নয়। তাই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলাম। শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন বলেই ভরসা ছিল। কিন্তু উপযুক্ত পরিবেশ না পেয়ে ফের ইস্তফা পত্র দিতে বাধ্য হই। তারপরও শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন।

রীতিমতো বিস্মিত বৈশাখী
বৈশাখী আরও বলেন, কেন জানি না এতদিন পর ইস্তফা গ্রহণ করলেন। নতুন টিচার ইনচার্জই তাঁকে জানান এই পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার কথা। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী তাঁকে একবার তা জানানোর প্রয়োজন মনে করলেন না। কিন আশ্বাস দেওয়ার পরও তা গৃহীত হল, কেনই বা তা ১২ দিন পর গ্রহণ করা হল, তা রীতিমতো বিস্ময়ের।

ইস্তফা গ্রহণরে পর যা বললেন শোভন
আর এ প্রসঙ্গে বৈশাখীর বন্ধু তথা প্রাক্তন মেয়র-মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, সত্যিই বিস্ময়ের যে বারবার ইস্তফা দেওয়ার পরও তা গ্রহণ করা হয়নি। উল্টে সমস্যার সমাধান করার বার্তায় আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। এতদিন পর সেই ইস্তফা গৃহীত হল। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত শোভনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে ফের সমস্যায় ফেল দিল।












Click it and Unblock the Notifications