‘কালো টাকা উদ্ধার নয়, ইমেজ তৈরিই উদ্দেশ্য’, মোদী-নিশানায় এক সুর পার্থ-অধীরের
কালো টাকার কারবার ও দুর্নীতি বন্ধ করতে নরেন্দ্র মোদী ৫০০ ও হাজার টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তা নিয়ে স্থানীয় মানুষ হয়রানির শিকার হন। নোট বাতিলের উদ্দেশ্যই এখন প্রশ্নের মুখে
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নোট বাতিলের পরিকল্পনা পুরোপুরি ভস্মে গেল। কালো টাকা হয়ে গেল সাদা! রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বার্ষিক রিপোর্ট সামনে আসতেই মোদীর পরিকল্পনার সারবত্তা প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল এবার। আর রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই রিপোর্টকে হাতিয়ার করে নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না বিরোধীরা। তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীর সুর মিলে গেল মোদীর নোট-বাতিল বিরোধিতায়।
কালো টাকার কারবার ও দুর্নীতি বন্ধ করতে নরেন্দ্র মোদী ৫০০ ও হাজার টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তা নিয়ে স্থানীয় মানুষ হয়রানির শিকার হন। বহু মানুষের প্রাণহানি পর্যন্ত ঘটে। কিন্তু আদতে দেখা যাচ্ছে নোট বাতিলের প্রকৃত উদ্দেশ্য সাধন হয়নি।

এই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তৃণমূল মহাসচিব তথা রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, পরিকল্পনাহীন উদ্যোগ নিয়েছিল কেন্দ্রে মোদী সরকার। তার যে প্রকৃত অর্থেই ডিমনেটাইজেশন ছিল না, তা আজ আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য শুধু ক্ষমতার লোভে দেশকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোথায় গেল কালো টাকা? আদতে কোনও কালো টাকাই উদ্ধার করতে পারেনি মোদী সরকার। জঙ্গিদের হাতে যে টাকা গিয়েছিল সেই টাকাও উদ্ধার করতে পারেনি কেন্দ্র। শুধু নিজের ইমেজ তৈরি করতে গিয়ে দেশবাসীকে অনিশ্চিতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।
এদিন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীও কঠোর সমালোচনা করেছেন বিজেপি সরকারের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনাও করেছেন তিনি। তিনি বলেন, আজ প্রমাণ হয়ে গেল মিথ্যের উপর ভিত্তি করে নোট বাতিল হয়েছিল।
শুধু সংকীর্ণ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করাই ছিল বিজেপি সরকারের লক্ষ্য। আর কালো টাকা, জাল নোট- এসব ভাঁওতাবাজি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চূড়ান্ত ব্যর্থ। নোট বাতিল ইস্যুতে কংগ্রেস যা বলেছিল, তা-ই সত্যি হল। নোট বাতিলের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ব্যর্থ হল মোদী সরকারের।












Click it and Unblock the Notifications