Panchayat Poll Violence: ফের অশান্ত ভাঙড়, তৃণমূল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযোগ ISF-র বিরুদ্ধে
ফের অশান্তি ভাঙড়। এবার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর উপরে গুলি চালানোর অভিযোগ। পঞ্চায়েত ভোটে পরাজিত হয়েছেন সেই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। আইএসএফ আশ্রিত দুষ্কৃতিরাই গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ।
ভোট মিটে গেলেও কিছুতেই অশান্তি থামছে না ভাঙড়ে। আইএসএফ সুপ্রিমো নওশাদ সিদ্দিকিকে ভাঙড়ে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ তাঁকে বাধা দিচ্ছে অভিযোগ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক। ভোট ঘোষণার পর থেকেই অশান্ত হয়ে উঠেছে ভাঙড়।

গতকাল রাত থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভাঙড়। চালতাবেড়িয়ার পানাপুকুর এলাকায় পরাজিত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হাতেম মোল্লাকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। আশঙ্কা জনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। পরিবারের লোকের অভিযোগ আইএসএফ আশ্রিত দুষ্কৃতিরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এদিকে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে আইএসএফ।
পঞ্চায়েতের ভোট ঘোষণার প্রথম দিন থেকেই তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। দফায় দফায় সংঘর্ষ, গুলি, বোমা চলেেছ ভাঙড়ে। মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল ভাঙড়। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছিল ভাঙড়ে। মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা বর্ষণ হয়েছিল সেখানে। আরাবুল ইসলাম এবং তাঁর অনুগামীরা আইএসএফের প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি বলে অভিযোগ।
ভোটের দিনও দিনভর অশান্ত থেকেছে ভাঙড়। ছাপ্পা ভোট থেকে শুরু করে ব্যালট বাক্স ছিনতই সবটাই হয়েছে সেখানে। এমনকী ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেও ভাঙড়ে খুনোখুনির রাজনীতি চলেছে। ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ভাঙড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ভোটের পরে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়েছে ভাঙড়ে।
যদিও এতো অশান্তির পরেও ভাঙড়ে জয়ী হয়েছে আইএসএফ এবং জমি রক্ষা কমিটি। আরাবুল ইসলাম তাঁর নিজের গড়েই হেরেছে। তার পর থেকে থমথমে হয়ে রয়েছে গোটা ভাঙড়। এই পরিস্থিতি নিয়ে রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাজনৈতিক মহল। ভাঙড়ের এই পরিস্থিতি তৈরির জন্য শাসক দলকেই দায়ী করেছেন বিরোধীরা। নিজের বিধানসভা এলাকাতেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে।












Click it and Unblock the Notifications