Panchayat Election Violence: ক্ষমতার দখল নিয়ে বিজেপি-তৃণমূল লড়াই! মুসলিমদের নিয়ে বিস্ফোরক বার্তা ওয়েইসির
পঞ্চায়েতের উপনির্বাচনের দিনে পশ্চিমবঙ্গে হিংসায় (Panchayat Election Violence) মৃতের সংখ্যাটা চল্লিশ ছুঁই-ছুঁই। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছেন, মৃতদের মধ্যে অর্ধেক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। আর এদিনই সেই কথাকেই কার্যত সমর্থন করে এআইএমআইএমের সভাপতি আসাদুদ্দিন ওয়েইসি বসেছেন হিংসায় বলি দেওয়া হচ্ছে মুসলিমদের।
আসাদুদ্দিন ওয়েইসি হিংসার এই ঘটনাকে সুবিধাবাদী ধর্মনিরপেক্ষতার বিষাক্ত ফল বলেও বর্ণনা করেছেন। বিজেপি-তৃণমূলের রাজনৈতিক ক্ষমতার লড়াইয়ে নিরীহ মুসলিমদের বলির মেষশাবক বানানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকে হিংসায় (Panchayat Election Violence) মৃতের সংখ্যাটা ৪০-এর কাছে পৌঁছে গেলেও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের খাতায় তা ১৫। এদিন রাজ্যের ১৯ টি জেলার প্রায় সাতশো বুথে পুনরায় নির্বাচন হয়। সোমবারের ভোটেও বেশ কিছু জায়গা থেকে কারচুপির অভিযোগ এসেছে। তবে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে রবিবার কুলতলি থানার পশ্চিব গাবতলায় এক ভোট কেন্দ্রের কাছে আবু সালেন খান নামে এক ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। তিনি এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলেই জানা গিয়েছে। শনিবার রাতে বাসন্তীতে আজহার লস্কর নামে আরও এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে মালদহের বৈষ্ণবনগরে মতিউর রহমান নামে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু (Panchayat Election Violence) হয়েছে। যা নিয়ে তৃণমূলের তরফে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। কংগ্রেসও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে হিংসায় যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের অর্ধেকের বেশি তাঁদের বলেও দাবি করেছে তৃণমূল। এব্যাপারে শাসকপক্ষ বিরোধীদের নিশানা করেছে। মৃতদের মধ্যে তৃণমূল বিজেপি ছাড়াও, কংগ্রেস এবং সিপিআইএমের কর্মী সমর্থকরাও রয়েছেন। রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জেলা শাসকদের কাছ থেকে মৃত্যুর (Panchayat Election Violence) বিস্তারিত চাওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications