পঞ্চায়েত ভোটে হামলা নিয়ে হোক CBI তদন্ত! নাড্ডার কাছে সুপারিশ BJP-র ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের
পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাংলায় হিংসার ঘটনার তদন্ত সিবিআইকে দিয়ে করানো হোক। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে এমনটাই সুপারিশ বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের নেতা প্রাক্তন আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের একেবারে শুরু থেকে বাধা নিয়েছে শাসক দল।
রবিশঙ্কর প্রসাদের অভিযোগ, প্রথমে মনোনয়নে বাধা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তিনি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও করেছেন। তাঁর অভিযোগ ১৩ বছরের বালককেও রেহাই দেয়নি শাসক দল।

সপ্তাহ দুয়েক আগে পঞ্চায়েত ভোট পর্বের হিংসার খতিয়ান নিতে রাজ্যে এসেছিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। নেতৃত্বে ছিলেন রবিশঙ্কর প্রসাদ। ভোট ঘিরে এত সংঘর্ষ, গুলি, বোমা ও মৃত্যু কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রবিশঙ্কর প্রসাদ। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি সেই সময় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছিলেন।
তিনি বলেছিলেন, তৃণমূল হিংসার নিরিখে সিপিআইএমকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে। কেন মনোনয়নের জন্য এত কম সময় দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের জোর করে ভয় দেখিয়ে দলবদলের চেষ্টার অভিযোগও তিনি করেছিলেন সেই সময়। তার রিপোর্ট জনা দিয়েছিলেন দলের সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে।
এদিন রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, তাঁরা ১২, ১৩ ও ১৪ জুলাই সারা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিলেন। মমতার রাজ্যের গণতন্ত্রকে বিকৃত গণতন্ত্র বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। রবিশঙ্কর বলেন, সংবিধানে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনের মর্যাদা থাকলেও হিংসার ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেছেন নির্বাচন পর্বে পাঁচ দফায় বাধা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে মনোনয়নে বাধা দেওয়া হয়েছে। যাঁরা মনোনয়ন জমা করতে পেরেছিলেন, তাঁদেরকে প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরে কোনও উপায়ে তা বাতিল করা হয়েছে। প্রার্থীর সমর্থকদের ওপরে হামলা করা হয়েছে, বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আর জেলার পরেই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি।
তিনি নির্বাচন কমিশনকে পক্ষপাত দুষ্ট বলে অভিযোগ করে বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেখান থেকে তাদেরকে হাইকোর্টে ফেরত পাঠানো হয়।
রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, দলীয় কর্মী যাঁদেরকে হত্যা করা হয়েছে, তাঁদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ছিল হৃদয় বিদারক। তিনি একের পর এক বুথের নাম উল্লেখ করে সেখানে দলীয় নেতা ও কর্মীদের ওপরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ করেন।
রবিশঙ্কর প্রসাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে প্রশ্ন করে বলেন, এটা কী হচ্ছে মমতা দিদি। কেন হচ্ছে। এইসব ঘটনার নিন্দার কোনও ভাষা নেই, বলেন তিনি। রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গণতান্ত্রিক চরিত্রের রূপ।












Click it and Unblock the Notifications