Panchayat Election Results 2023: তৃণমূলের জয়ীদের ঘুম ওড়াবেন শুভেন্দু! নন্দীগ্রাম নিয়ে মমতার দলকে চরম খোঁচা
Panchayat Election Results 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৬ হাজার বুথে পুনর্নিবাচনের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। জমা দিয়েছেন এক হাজারের উপর ভিডিও ফুটেজ-সহ নথি।
আদালতের পর্যবেক্ষণে আশার আলো দেখতে পারছেন শুভেন্দু অধিকারী। তৈরি করছেন আরও একটি তালিকা। পঞ্চায়েতে গণনা কেন্দ্রে অন্তত ৩-৪ হাজার জয়ী বিজেপি প্রার্থীকে সার্টিফিকেট না দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ শুভেন্দুর।

গণনা কেন্দ্রে যাঁরা কারচুপির শিকার হয়েছেন, জেতার পরও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি বা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে তেমন প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে বিজেপি। শুভেন্দু তাঁদের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। যেভাবে ভোট লুঠ ও সন্ত্রাস চলেছে, তার মধ্যেও বিজেপির প্রায় ১১ হাজার ও অন্যান্য বিরোধী দলের যে ৩-৪ হাজার প্রার্থী জিতেছেন, তা অবিশ্বাস্য শুভেন্দুর কাছে।
শুভেন্দুর দাবি, রামনগর ২-র বিজেপির জেলা পরিষদ প্রার্থী আজ প্রধান বিচাপতির কাছে জানিয়েছেন চারশোর বেশি ভোটে জেতা সত্ত্বেও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীকে। বিধায়ক অসীম সরকারের এলাকাতেও দুজন জেলা পরিষদ প্রার্থী একই অবস্থার শিকার হয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, আমাদের ৩-৪ হাজার প্রার্থীকে হারানো হয়েছে।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, আমরা ৭৩ হাজারের মধ্যে ৬০ হাজার বুথে প্রার্থী দেওয়ার জায়গায় ছিলাম। ৪৭ হাজার প্রার্থীকে টিকিয়ে রাখতে পেরেছি, জয় এসেছে ১১ হাজারের কাছাকাছি। আমরা ৩০ হাজার জেতার ক্ষমতা রাখি। অন্যান্যরা ১২ থেকে ১৪ হাজার আসনে জিততে পারতো। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব, ভোটের দিন ও গণনা- এই তিনটি স্তরে লুঠ হয়েছে।

সংখ্যালঘুদের বিজেপি সম্পর্কে এখনও তৃণমূল ভুল বুঝিয়ে রেখেছে বলে দাবি শুভেন্দুর। তৃণমূল ২০ হাজার আসনে জেতার মতো জায়গায় ছিল না বলেও দাবি তাঁর। শুভেন্দু বলেন, নিরপেক্ষভাবে ভোট হলে সাগরদিঘি মডেল হতো। কে জিতত বড় কথা নয়, তৃণমূল হারত। তবে দ্রুত উপরে ওঠা ভালো, তাতে ধপ করে পড়বে।
সিপিআইএমের পক্ষে পড়া প্রিসাইডিং অফিসারের সই-সহ কয়েকশো ব্যালট পেপার পাওয়া গিয়েছে হুগলির জঙ্গিপাড়া ডি এন হাই স্কুল সংলগ্ন রাস্তার ধার থেকে। সেখানেই গণনা কেন্দ্র ছিল। সেই ব্যালট পেপার আনা হয়েছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। কাল এ ব্যাপারে স্থানীয় বিডিওকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে ব্যালট রাস্তায় পাওয়া গেল? যে স্কুলে এই ভোট হয়েছে সেখানে যাঁরা দায়িত্বে ছিলেন দিতে হবে তাঁদের তালিকাও। আনতে হবে কাউন্টিং সেন্টারের সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও ফুটেজ। শুভেন্দু বলেন, বিডিওরা কারচুপিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। পুলিশ-প্রশাসনের আরও অনেকে আদালতে ডাক পাবেন।

আদালতের রায়েই জয়ী প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বলে মন্তব্য করে শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জ, দেখা হবে কোর্টের লড়াইয়ে। লড়াই হবে রাস্তায়, আন্দোলন চলবে। নন্দীগ্রামে বিজেপি ১০ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে বলে কুণাল ঘোষ দাবি করলেও তাকে আমল দেননি শুভেন্দু।
তিনি বলেন, ২০১৯ সালে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের লিড ছিল ৬৯ হাজারের বেশি। আমার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ অস্ত্র প্রয়োগ করতে হয়েছিল। লোক পায়নি। তারপরও কোম্পানির মালিক কেন ২ হাজার ভোটে হারলেন সেই হিসেব মেলাক আগে।












Click it and Unblock the Notifications