Panchayat Election 2023: মমতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ দেবেন শুভেন্দু, ২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাও বিজেপির
Panchayat Election 2023: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির প্রমাণ মঙ্গলবার জনসমক্ষে আনবেন। কলেজ স্কোয়্য়ারে বিজেপির মহামিছিল শুরুর আগে সভা থেকে এই হুঙ্কার দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে প্রস্তাব দিয়ে বলেন, পঞ্চায়েতে ভোট লুঠ করেছেন বিডিওরা। তাই কলকাতার পাশাপাশি জেলায় জেলায় বিডিও অফিস ঘেরাও করতে হবে। সুকান্ত এরপরই জানিয়ে দেন, ২১ জুলাই হবে বিডিও অফিস ঘেরাও কর্মসূচি।

শুভেন্দু আগেই জানিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সারদা কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার প্রমাণ তিনি সিবিআই ডিরেক্টরকে দেবেন। পিএসসির নিয়োগ দুর্নীতিতেও মমতা সরাসরি যুক্ত, সেই তথ্য পেতে আরটিআই করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। এবার তিনি বললেন, স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে ১২০ কোটি টাকা কীভাবে আইপ্যাককে দেওয়া হয়েছে তার নথি পেয়েছি। চুরি-দুর্নীতি সামনে আনব।
শুভেন্দুর কথায়, মনোনয়ন পর্ব থেকে গণনা পর্যন্ত ত্রিস্তরীয় লুঠ হয়েছে। যা অষ্টম আশ্চর্য। পুলিশ ও বিডিওরা শাসক দলকে জেতাতে কোন কোন অবৈধ পন্থার আশ্রয় নিয়েছেন সে কথাও বক্তব্যে তুলে ধরেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, এবার বিডিও অফিস ঘেরাও করবেন ভোটাররা। ভোট না দিতে পারার কারণ রিটার্নিং অফিসারের কাছে জানতে চাইবেন।
রাজ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা ও দুর্নীতিযুক্ত সরকারকে উৎখাত করতে রাজপথে, সামনাসামনি, চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের ডাক দেন শুভেন্দু। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের মধ্যে থেকেও জেলায় জেলায় যেভাবে মানুষ বেরিয়ে আসছেন তাতে ইতিবাচক দিক দেখছে বিজেপি নেতৃত্ব।

শুভেন্দু বলেন, পিসি-ভাইপোর সমাবেশের জন্য অন্য রাজনৈতিক মিছিলকে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। এটাই বাংলার গণতন্ত্র। আমাদের অনুমতি লাগে না। কলকাতা পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করছি, বুকের পাটা থাকলে আটকে দেখো। বেঙ্গালুরুর বৈঠক নিয়েও সরব হয়ে শুভেন্দু বলেন, মোদীজি একদিকে। দুর্নীতিগ্রস্তরা একদিকে। অব কি বার চারশো পার।
শুভেন্দুর কথায়, মমতা এবার চুরি করবেন বেশি করে, কেন না সঙ্গে পেয়েছেন ইয়েচুরিকে। বেঙ্গালুরুতে দুর্নীতিগ্রস্ত, প্রত্যাখ্যাতরা একত্রিত হয়েছিলেন। ২০১৯ সালেও ব্রিগেডে এমন সার্কাস হয়েছিল। তৃণমূল ৩৪ থেকে নেমে ২২ আর বিজেপি ২ থেকে ২৮ হয়েছিল। পরিবারবাদীরা ইডি-সিবিআই থেকে বাঁচতে ফাইভ স্টারে মিটিং সেরেছেন।
আগে নাম দিয়েছিল ইউনাইটেড ইন্ডিয়া, এখন ইন্ডিয়া। এতে বিজেপির কোনও অসুবিধা হবে না বলেই দাবি শুভেন্দুর। তিনি বলেন, ইন্ডিয়া নাম রাখলেই দেশপ্রেমিক হওয়া যায় না। মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায় না। তাহলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নামে ইন্ডিয়া থাকলেও তাদের চলে যেতে হতো না।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, দিদি নম্বর ওয়ান অনুষ্ঠান হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি নম্বর ওয়ানে চ্যাম্পিয়ন। অলিম্পিকে ছাপ্পা থাকলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোনা জিততেন। ছাপ্পাশ্রী পুরস্কার দিয়ে ওঁকে প্রাক্তন করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications