Panchayat Election 2023: শুভেন্দুর হুমকি ফোন রাজ্য় নির্বাচন কমিশনারকে, বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের ভূমিকায় উষ্মা
Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সময় যত এগোচ্ছে ততই লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখনও অবধি মনোনয়ন পর্ব থেকে ধরলে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে গর্জে উঠলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি আজ নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কালীঘাট চলোর ডাক দেন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে ফোন করে হুঁশিয়ারিও দেন। সব কিছুকেই ছাপিয়ে গিয়েছে দিল্লির বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ।

শুভেন্দু আজ বলেন, রাজীব সিনহাকে ফোন করেছিলাম ফেসটাইমে। জানতে চেয়েছি, আর কত রক্ত দরকার আপনার? আর কত রক্ত খেতে চান? তাঁকে আরও বলেছি, সন্ধ্যা ৬টার সময় যাচ্ছি আপনার কার্যালয়ে, তালা ঝোলাতে। কলকাতা পুলিশকে ডেকে রাখারও পরামর্শ দিয়েছি। কলকাতা পুলিশকে নির্বাচন কমিশনারের বাপ বলেও কটাক্ষ বিরোধী দলনেতার।
তিনি আজ কলকাতায় যাবেন কিনা সে প্রশ্নের উত্তরে এরপর শুভেন্দু বলেন, আমি একটা দল করি। সব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ করতে হবে। দরকার হলে যাব। তবে তার আগে যেসব জায়গায় ভোট লুঠ হয়েছে দল-মত নির্বিশেষে সব জায়গায় ব্যালট বাক্সগুলি নর্দমা, পুকুর, ডোবাতে ফেলা নিশ্চিত করব। সবাইক সেই আহ্বান করছি।

রাজীব সিনহাকে ফোন প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ওই চোরটাকে বলেছি বেআইনি যত সম্পত্তি করেছেন, সব নথি রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৌজন্যে রাজারহাট, নিউটাউনে কত জমি কিনেছেন সব তালিকা রয়েছে। বারোটা বাজিয়ে ছাড়ব!
শুভেন্দু অধিকারী জানান, কালীচরণপুর, বঙ্কিম মোড়, গড়চক্রবেডিয়ায় সিআরপিএফ দিয়ে জেহাদিদের ডান্ডা মেরে সোজা করা হচ্ছে। নিজের ভোট নিজে দিতে পারবেন না মানুষ! এটা স্বাধীনতা! এই দিন দেখার জন্য আমার পরিবারের স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিন অধিকারী জেল খেটেছিলেন। বিআর আম্বেদকর সংবিধানে যে অধিকার দিয়েছেন তা মমতা আর তাই ভাইপোর জন্য নয়।

এদিন শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, দুটো রাস্তা খোলা রয়েছে জনগণের অভ্যুত্থানের জন্য চলো কালীঘাট। ইটগুলো খুলি। গুলি করুক। প্রথম ১০-২০ জন মরবেন, আমিও তাঁদের মধ্যে থাকতে রাজি। তবে তারপর ১০ বাংলার ১০ কোটি মানুষ বেঁচে যাবেন। আরেকটা পথ ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানো।

শুভেন্দু বিজেপির দিল্লির নেতৃত্বের একাংশের প্রতি উষ্মা প্রকাশের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে এখানে এসেছি। নিজের উত্তরণের কথা ভেবে নয়। আমি সেই লক্ষ্য পূরণ করেই ছাড়ব। ঝান্ডা নিয়ে বা ঝান্ডা ছেড়ে আমি সেই লক্ষ্য পূরণ করেই ছাড়ব। তাতে কে কী ভাবল তা গুরুত্বহীন।
শুভেন্দুর কথায়, সংবিধান মেনে রাজ্যপাল পদক্ষেপ করতে পারেন। ভারত সরকার কিছু ভাবছে কিনা জানা নেই। তবে ৩৫৬ বা ৩৫৫ ধারা জারি করে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ না করলে নির্বিঘ্নে ভোট হতে পারে না বলেও মন্তব্য শুভেন্দুর।












Click it and Unblock the Notifications