Panchayat Election 2023: বাহিনী মোতায়েনে বদলাল নিয়ম, পুলিশের কারিকুরি বন্ধ! শুভেন্দু দিলেন বিরাট দাওয়াই
Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এবার বিরাট পরিবর্তন। আগে বিভিন্ন সময় দেখা গিয়েছে নির্বাচনের সময় পর্যটনকেন্দ্রে ঘুরছেন বাহিনীর জওয়ানরা। কোথাও বা নিশ্চিন্ত নিদ্রায়!
এমন দৃশ্য পঞ্চায়েতে দেখা যাবে না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ফলে ভোটের সময় যাবতীয় 'খেলা' কঠিন হয়ে যেতে পারে শাসক দলের! এই আবহেই শাসক দলকে আর ভোট লুঠ করতে দেবেন না বলে হুঙ্কার ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী।

আগে ২২ কোম্পানি, পরে আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্য সরকার আর তার দোসর রাজ্য নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে মুখ পুড়িয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের তিনটি রায় মানেনি কমিশন। শীর্ষ আদালত বাহিনী দিয়ে ভোট করানোতেই আস্থা রেখেছে।
শুভেন্দু আরও জানান, আদালতের নির্দেশে বাহিনী পাঠাচ্ছে কেন্দ্র। বাহিনী থাকাকালীন কোনও এলাকায় কোনও অশান্তি হলে বিষয়টিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নাম জড়াবে। সেটা যাতে না হয় সে কারণেই কোন জেলায় কোন বাহিনী থাকবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রার্থীদের কাছে থাকবে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষও তা জানতে পেরে যাবেন।

বিরোধী দলনেতা বলেন, কোথাও কোনওরকম হামলা-সহ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে পুলিশের সঙ্গে বাহিনীর কম্যান্ডিং অফিসারকেও বিষয়টি জানাতে হবে। সাধারণ ভোটাররাও বাহিনীর সিও-কে ফোন করে খবর দিতে পারবেন। তিনি তার প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেবেন। যদি বাহিনীর কোনও পদক্ষেপ ঘিরে অসন্তোষ থাকে, তাহলে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সত্যিকারের অভিযোগই জানানো হবে। তার প্রেক্ষিতে বাহিনী ব্যবস্থা নিতে বাধ্য। শাসক দল যাতে অশান্তি পাকাতে না পারে তা নিশ্চিত করতে বাহিনীর সিও-র নম্বর উল্লেখ করে সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আদালত চাইছে নিরাপত্তার দায়িত্ব বাহিনী নিক। দায়িত্ব পেয়ে এবার কাজ করতে হবে।

বাহিনীর কম্যান্ডিং অফিসার সকলকে নিরাপত্তা দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বাধ্য বলেও মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, এবার আর মনোজ মালব্য, বিনীত গোয়েল, সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, কোটেশ্বর রাওয়ের মতো পুলিশের শীর্ষকর্তারা পিছন থেকে টেনে রাখতে পারবেন না। ভাইপোর কথায় চলবে না। সবমিলিয়ে বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে যে পুলিশের ভূমিকা খর্ব হলো তা বলাই যায়।
তৃণমূল কংগ্রেস বাহিনী মোতায়েনকে গুরুত্ব না দিলেও শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূল ও রাজ্য সরকার ভয় পাচ্ছে। ওরা ২০ হাজার সিটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে চেয়েছিল। ১২-১৪ হাজারে জিতেছেও। আর ভোট লুঠ করতে দেব না। বাহিনী থাকলে কী হয় তা ওরা দেখেছে সাগরদিঘিতেও। শুভেন্দু বলেন, আমাকেও মালিক পাঠিয়ে দেখতে চেয়েছিল। ১৯৫৬ ভোটে হারিয়ে দিয়েছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।












Click it and Unblock the Notifications