Panchayat Election 2023: দিলীপের থেকে এগিয়ে সুকান্ত! পঞ্চায়েত ভোটের আগে কী বলছে পরিসংখ্যান
২০১৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে বাংলায় বিজেপির উত্থান। সেই নির্বাচনে বিজেপির কাণ্ডারি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। বর্তমানে রা্জ্যেকর প্রধান হিসেবে দিলীপ ঘোষের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তরুণ-তুর্কি নেতার উপর ভরসা রেখে কতটা এগোল বিজেপি, তা বলবে পরিসংখ্যান।
প্রাক নির্বাচনের পর্বে অর্থাৎ মননোয়ন পর্বে দিলীপ ঘোষের থেকে এগিয়ে সুকান্ত মজুমদার। অর্থাৎ ২০১৮-র থেকে ২০২৩-এ বিজেপি অনেক বেশি মনোনয়ন জমা দিয়েছে। এখন সেটাই বিজিপির উন্নয়ন গ্রাফ কি না, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল পর্যন্ত।

বিজেপি ২০১৮-র পঞ্চায়েতে বাংলায় জাঁকিয়ে বসার আভাস দিয়েছিলে। তারপর ২০১৯-এ বিজেপি তৃণমূলের চ্যালেঞ্জের হয়ে ওঠে। কিন্তু একুশে সেই নিরিখে মুথ থুবড়ে পড়ে তারা। এবং তার পরবর্তী উপনির্বাচন ও পুরসভা নির্বাচনে বিজেপি ধুলিসাৎ হয়ে যায়। পঞ্চায়েতে কিন্তু তারা ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া।
তেমন ইঙ্গিত মিলেছে এবারের মনোনয়ন পর্বে। ২০১৮-র নির্বাচনে তৃণমূল ৩০ শতাংশের বেশি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল। এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তেমন জয়ের বহর নেই। এবার অনেক বেশি মনোনয়ন জমা করেছে প্রধান বিরোধী বিজেপি।

২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ছিল ৩, আর সাংসদ ২। এখন অর্থাৎ ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে বিজেপির হাতে ৭৫ জন বিধায়ক আর ১৭ জন সাংসদ। ফলে এবার অনেক বেশি শক্তি নিয়েই পঞ্চায়েত ময়দানে নেমেছে বিজেপি।
এবার মনোনয়ন পর্বের শেষে দেখা যাচ্ছে ২০১৮-র তুলনায় ২০২৩-এ অনেক এগিয়ে বিজেপি। অন্তত মননোয়ন পেশের নিরিখে বিজেপির অগ্রগমন হয়েছে। ২০১৮ সালে দিলীপ ঘোষের জমানায় বাংলার পঞ্চায়েতে মোট আসন ছিল ৫৮৬৯২। তার মধ্যে বিজেপি প্রার্থী দিয়েছিল ২৮৪৩০ আসনে। বিজেপির প্রার্থী ছিল ৪৮.৪৩ শতাংশ।

আর ২০২৩-এ বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে ৭৬.২২ শতাংশ। এবার মোট আসন দাঁড়িয়েছে ৭৩৮৮৭। আর বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে পঞ্চায়েতের তিন স্তরে মোট ৫৪৭৪৯ আসনে। ২০১৮-তে জেলা পরিষদের সমস্ত আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। কিন্তু ২০২৩-এ বিজেপি জেলা পরিষদের মোট আসনের থেকে বেশি প্রার্থী দিয়েছে।
তবে মনোনয়নের এই পরিসংখ্যান দেখে বিজেপির উন্নয়ন গ্রাফ মূল্যায়ন করা যুক্তিযুক্ত হবে না। ২০১৮ সালে বিজেপি মাত্র ১৯ শতাংশ ভোট পয়েছিল। জেলা পরিষদে সাফল্য মাত্র ২.৬ শতাংশ। পঞ্চায়েত সমিতিতে সাফল্য ৮.২ শতাংশ। আর গ্রাম পঞ্চায়েতে সাফল্য ১১.৮৭ শতাংশ। বিজেপি মাত্র ১০টি পঞ্চায়েত সমিটি ও ২১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে জয়ী হয়েছিল। এবার তা ছাপিয়ে যেতে পারে কি না, সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications