Panchayat Election 2023: বিজেপি বাংলায় তৃতীয় হতে চলেছে! তাই মাথা গন্ডগোল শুভেন্দুর! প্রত্যাঘাত কুণালের
নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর-সহ গোটা বাংলায় ভোট লুঠ হয়েছে। তাই বাংলায় ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের দাবি তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আবার এমনও বলেছেন ব্যালট বক্স পুকুরে ফেলতে। আর তার প্রত্যুত্তরে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, শুভেন্দুর মাথা গন্ডগোল হয়ে গিয়েছে!
কুণাল ঘোষ বলেন, শুভেন্দুর মাথা গন্ডগোল হয়ে গিয়েছে। কারণ গোটা পূর্ব মেদিনীপুর এবং গোটা বাংলা বিজেপিকে প্রত্যা খ্যা ন করছে। পঞ্চায়েতে বাংলায় তৃতীয় হতে চলেছে বিজেপি। নিজেদের ব্যের্থতা ঢাকতে শুভেন্দু তাই এখন নাটক করতে শুরু করেছেন।

তৃণমূল মুখপাত্রের কথায়, মানুষও বুঝে যাবে শুভেন্দুর গ্যা স বেলুন শেষ। তাদের দিল্লির নেতারাও বুঝে যাবেন শুভেন্দু একটা বাঘ-ছাল পরা বেড়াল। ও হালুম বলে। কিন্তু ওটা আসলে ম্যাঁও। উল্লেখ্য, এদিন শুভেন্দু কলীঘাট চলোর ডাক দিয়ে প্রতিটা ইট খুলে নেওয়ার হুঙ্কারও ছেড়েছেন।
কুণাল ঘোষ বলেন, কয়েকটি জেলায় কয়েকটা বুথে গন্ডগোল হয়েছে। নজিরবিহীন শান্তিতে ভোট হচ্ছে বাকি জেলাগুলিতে। গণতন্ত্রের উৎসব হয়েছে। আর যেখানে গন্ডগোল হয়েছে বা হচ্ছে, সেখানে শুভেন্দু অধিকারী, মহম্মদ সেলিম আর অধীর চৌধুরি হাতে হাত মিলিয়ে অশান্তি করেছেন।
তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষের কথায়, শুভেন্দু হাম্বা করছে এখন। আসলে অনেক ফুটানি মারছিল তো। ফুটো কলসী বাজে বেশি। ওঁর দিল্লির নেতারা বুঝতে পারছেন। তাই এখন ওঁর মুখ থেকে বেরোচ্ছে দলের পতাকা নিয়ে বা তার বাইরে গিয়েও এই করব, সেই করব। এসব পাগলের পাগলামি। ও বুঝে গেছে ও ব্যরর্থ হতে চলেছে। মানুষের সঙ্গে নেই, বাংলার সঙ্গে নেই। ঘরে, এমনকী দলেও ওঁর বাজার নেই। তাই এখন থেকে নির্দল হওয়ার গল্প ফেঁদেছে।
শুভেন্দু এদিন হুঙ্কার ছাড়েন, সন্ধ্যা ৬টার সময় কমিশনে তালা ঝোলাব। তার পরিপ্রেক্ষিতে কুণালের জবাব, ওখানে গেলে মেরে ঠ্যাংি ভেঙে দেবে। বিধানসভা নির্বাচনে ৮ দফায় ভোট হয়েছে কেন্দ্রীয়বাহিনী দিয়ে। তারপরও গোহারা হেরেছে। সিপিএম শূন্যে, কংগ্রেস শূন্য্। বিজেপি হেরেছে।

কুণালের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ভোট গণনা শেষ হয়ে যাওয়ার পর নন্দীগ্রামে লোডশেডিং করিয়ে ফল উল্টে দিয়েছিল। সেটা ভুলে গেলেন? যদি তা না হল, তাহলে তো কমিশন আর ওই কাউন্টিং অফিসারদের বেঁধে রেখে দিত। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা ঝোলানো উচিত ছিল। এগুলো গণতন্ত্রের ভাষা?
তিনি বলেন, বিজেপি আর বিরোধীদের জন্যগ বাংলায় তালা মেরে দিয়েছে মানুষ। তাই সেই তালা নিয়ে নাটক করতে যাচ্ছেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর ফোন করে কমিশনারকে প্রশ্ন ছুড়েছেন, আর কত রক্ত দেখবেন? আর কুণাল বলছেন, এটা কোনো কাজের কথা হল? রক্ত তো ঝরাচ্ছে বিরোধীরা। তৃণমূল লোকেরা তো মার খাচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা সরকারে আছি। তাই বারবার আমাদের কর্মীদের ফোন করে বলতে হচ্ছে প্ররোচনায় পা নয়। কাল রাত থেকে এই প্ররোচনা শুরু হয়েছে। এখন সাধু সেজে নাটক করছে। আর বামেরা তো গণহত্যাএর নায়ক। ভোট রিগিংয়ের নায়ক বামেরা। তারা বড় বড় কথা বলবে?












Click it and Unblock the Notifications