বিজেপি ছেড়ে দলে দলে তৃণমূলে, অনুব্রত-গড়ে ‘পিছিয়ে পড়া’ এলাকায় ফের জোয়ার
অনুব্রত-গড়ে ফের বিজেপি ভেঙে তৃণমূলে যোগ দিলেন তিন গ্রাম পঞ্চায়েতের শতাধিক নেতা-কর্মী। বিজেপিতে মোহভঙ্গের পর ফের ঘরওয়াপসিতে তৃণমূল চাঙ্গা হতে শুরু করেছে।
অনুব্রত-গড়ে ফের বিজেপি ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন তিন গ্রাম পঞ্চায়েতের শতাধিক নেতা-কর্মী। বিজেপিতে মোহভঙ্গের পর ফের ঘরওয়াপসিতে তৃণমূল চাঙ্গা হতে শুরু করেছে। পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেস অক্সিজেন নেওয়ার চেষ্টা করছে দলবদলের ফলে। একইসঙ্গে বীরভূম জেলা সভাপতি দলকে চাঙ্গা করতে বাড়তি সভাপতি নিয়োগ করলেন।

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ
এদিন সাহাপুর, বুধিগ্রাম ও মাড়গ্রাম ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন শতাধিক নেতা-কর্মী। তাদের হাতে পতাকা তুলে দেন অনুব্রত মণ্ডল। তিনি বলেন, ভুল বুঝে অনেকে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। তাঁরা আবার ফিরে আসছেন দলে। ফলে তৃণমূল শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বিধানসভা নির্বাচনের আগে।

অনুব্রত সবথেকে বেশি চিন্তিত সাহাপুর নিয়ে
এদিকে অনুব্রত সবথেকে বেশি চিন্তিত সাহাপুর অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া নিয়ে। সে জন্য সাহাপুর অঞ্চলে আরও একজন কার্যকরী সভাপতি নিয়োগ করেছেন অনুব্রত। ভদ্রপুর অঞ্চলেও দলের সংগঠন চাঙ্গা করতে বাড়তি একজন অঞ্চল সভাপতি নিয়োগ করা হয়। শীতলগ্রাম অঞ্চলে ৫ জনের কমিটি গঠন করা হয়।

উন্নয়নের জোয়ারেও পিছিয়ে কেন
লোকসভা ভোটের পর থেকে বিধানসভা ধরে ধরে বুথ ভিত্তিক কর্মী সম্মেলন করছেন অনুব্রত মণ্ডল। শনিবার অনুব্রত মণ্ডল হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের কর্মী সম্মেলনে অংশ নেন। এই সম্মেলনেই তিনি তারাপীঠ সংলগ্ন সাহাপুর পঞ্চায়েত এলাকায় পিছিয়ে থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পিছিয়ে পড়ার কারণ জানতে চান তিনি।

২৫টির মধ্যে ১৭টিতে হারে উদ্বেগ
তিনি ব্লক সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি ও পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, সাহাপুর একটা বড় গ্রাম পঞ্চায়েত। এখানে ২৫টি বুথ রয়েছে। এই ২৫টির মধ্যে আমরা ১৭টিতে হেরেছি। জয় মাত্র আটতিতে। কোন এমনটা হল। এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। কারণ, আমরা উন্নয়নমূলক সমস্ত কাজকর্ম করেছি, তা সত্ত্বেও কেন হারতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications