একমাত্র মেয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় মৃত, দম্পতির কথা শুনলেন সাংসদ খগেন মুর্মূ
কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দূর্ঘটনায় আহত দম্পতি মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের ছয় বছরের ছোট্ট ফুটফুটে মেয়ে মারা গিয়েছে। তাকে শেষ বিদায়ও দিতে পারেননি তারা।
ওই দম্পতির সঙ্গে দেখা করলেন মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু। এদিন সকালে জেলা হাসপাতালে যান সাংসদ। দম্পতির সঙ্গে দেখা করার পর অন্যান্য রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন সাংসদ। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোড়।

ঘটনার প্রায় পাঁচ দিন কেটে গিয়েছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার ভয়াবহ সেই স্মৃতি কাটিয়ে উঠতে পারছেন না দম্পতি। মালদহের চাঁচল ২ নম্বর ব্লকের সামসির কালিগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মহিলাল মন্ডল এবং তার স্ত্রী ছবি মন্ডল। সেই দিনের ট্রেন দুর্ঘটনায় তাদের একমাত্র ছয় বছরের ফুটফুটে শিশু কন্যার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনায় আহত হয়েছিলেন তারা।বর্তমানে তারা মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মহিলাল মন্ডলের চোখে মুখে সেদিনের আতঙ্ক। মেয়ে হারানো দুঃখ বুকে। হাসপাতালের বেডে বসে জানালেন সেই দিনের ঘটনার অভিজ্ঞতা।
হঠাৎ করেই ঝাঁকুনি শুরু হয় তাদের কামরায়।তিনি বুঝতে পারেন লাইনচ্যুত হয়েছে বগি।এরপরই উল্টে যায় তাদের কামরা। এরপর জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। এখন তিনি আপাতত সুস্থ আছেন। তবে সেই দিনের আতঙ্ক এবং মেয়ে হারানো দুঃখ ভুলতে পারছেন না।
শনিবার মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত এই দম্পতির সঙ্গে দেখা করেন উত্তর মালদহ কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। আহত দম্পতির সঙ্গে কথা বলেন। দুর্ঘটনায় তাদের একমাত্র মেয়ে মারা গিয়েছেন।সমবেদনা এবং দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
সাংসদ খগেন মুর্মু জানান,মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা ঠিকঠাক হচ্ছে না।চিকিৎসাধীন রোগীরা অভিযোগ করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার ১৫০ কোটি টাকা দিয়েছেন মেডিকেল কলেজের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য। সেখানে বিল্ডিং তৈরি করা হলেও পরিকাঠামগত অনেক খামতি রয়েছে।
মালদহ জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র আশিস কুন্ডু বলেন, বিজেপি সাংসদদের মুখে পরিকাঠামো নিয়ে কথা বলা মানায় না। বাংলার মানুষ তৃণমুলের উন্নয়নের সঙ্গে আছে। বিজেপির ভাওতাবাজির সঙ্গে নেই।












Click it and Unblock the Notifications