খুঁটিতে হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, দমদমে মৃত ২ কিশোরী
জল জমা শহরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এদিন সন্ধেয় বিদ্যুৎস্পষ্ট (electricuted) হয়ে মৃত্যু (death) হয়েছে দুই কিশোরীর। ঘটনাটি দমদম মতিঝিলের বান্ধবনগরের। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই বন্ধু টিউশন পড়তে যাচ্ছিল। সেই সময় রাস্
জল জমা শহরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এদিন সন্ধেয় বিদ্যুৎস্পষ্ট (electricuted) হয়ে মৃত্যু (death) হয়েছে দুই কিশোরীর। ঘটনাটি দমদম মতিঝিলের বান্ধবনগরের। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই বন্ধু টিউশন পড়তে যাচ্ছিল। সেই সময় রাস্তার ধারে থাকা বিদ্যুতের খুঁটিতে হাত দেয় একজন। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় অপর জনও। আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁদেরকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয় তাঁদের।

পড়তে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনা
সন্ধেয় পড়ে যাচ্ছিল ষষ্ঠ শ্রেণির দুই ছাত্রী অনুষ্কা নন্দী এবং স্নেহা বসাক। হঠাৎই এদের একজন রাস্তার ধারের ল্যাম্পপোস্টে হাত দিয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে যায় সে। পাশে থাকা বন্ধু বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় মুহূর্তেই। দুই কিশোরীকে উদ্ধার করে আরজি কর হাসপাতেল নিয়ে যাওয়া হলে, তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

ভারী বৃষ্টির পরেই এলাকায় জমা জল
সম্প্রতি হয়ে যাওয়া ভারী বৃষ্টির পরেই দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকার নয় নম্বর ওয়ার্ডের বান্ধবনগরে জল জমে রয়েছে। এদিনের দুর্ঘটনাস্থলেও জল জমে রয়েছে। জমা জল থেকে খুঁটিতে বিদ্যুতের সংযোগ হয়ে গিয়েছিল বলে মনে করছেন অনেকেই। মৃত দুই কিশোরীর একজন বান্ধবনগর এবং অপরজন মতিঝিলের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে বৃহস্পতিবার
এদিন এই ঘটনার পরেই গোটা এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। দক্ষিণ দমদম পুরসভা এবং রাজ্য বিদ্যুৎ পর্যদের ঠিক করেছে, বৃহস্পতিবার বিভিন্ন বিদ্যুতের পোল পরীক্ষা করার পরেই এলাকায় বিদ্যুতের সংযোগ ফের দেওয়া হবে।

আশপাশের এলাকাতেও জল থৈ-থৈ
এদিকে দমদমের বহু এলাকাতেই জল থৈ থৈ করছে। এদিন দমদম পার্ক এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলন দমকলমন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক সুজিত বসু। দমদম পুরসভা সূত্রে খবর, দমদম পার্কের পাশের ক্যান্টনমেন্ট খাল এবং বাগজোলা খাল থেকে জল ব্যাক ফ্লো করার কারণে পাম্প চালালেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি। পুরসভার তরফে বলা হয়েছে, খাল বরাবর বালির বস্তা দিয়ে উঁচু করে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মঙ্গলবার খড়দহের পাতুলিয়ার এক আবাসনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে তিনজনের মৃত্যু হয়। দুদিনের প্রবল বৃষ্টিতে আবাসনে জল জমে গিয়েছিল। জমে জলে দাঁড়িয়েছিল মোবাইলে চার্জ দিতে গিয়েছিলেন আবাসনের বাসিন্দা রাজা দাস(৩৯)। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে প্রথমে তাঁৎ স্ত্রী পৌলমী দাস এবং এরপর তাঁদের বড় ছেলে শুভ দাস(১১) বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পুরো ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী তাঁদের চার বছরের ছেলে। সেই চিৎকার পরে প্রতিবেশীদের খবর দেয়। তিনজনকে বিএন বসু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications