৮ তারিখেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব শান্তনুর, দিলীপ থাকছেন রাজ্যেই
৮ তারিখেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব শান্তনুর, দিলীপ থাকছেন রাজ্যেই
একুশের নির্বাচনের পর অনেকেই ভেবেছিলেন এবার হয়ত বিজেপির বঙ্গ সেনাপতির পদ থেকে সরবেন দিলীপ ঘোষ। অনেকে এও আশা করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে পারেন দিলীপ। কিন্তু আপাতত সেরকম কোনও কিছুই ঘটছে না গেরুয়া শিবিরে৷ তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় যে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব বাড়তে চলছে তা একপ্রকার নিশ্চিত।
ইতিমধ্যেই দিল্লি উড়ে গিয়েছেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজ্য বিজেপির এক নেতার কথায় শান্তনু ঠাকুর মন্ত্রী হচ্ছেন এ বিষয়টা জলের মতোই পরিষ্কার৷ শুধু শান্তনু? আর কেউ নন? বঙ্গ বিজেপির ওই নেতার কথায় নিশীত প্রামাণিকও দিল্লিতে রয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বের সম্ভাবনা ওঁরও রয়েছে। কবে হতে চলেছে মন্ত্রিত্বের শপথ গ্রহণ? বিজেপির এই নেতার কথায় ৮জুলাই আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রী পদে শপথ নিতে পারেন শান্তনু ঠাকুর।

কেন শান্তনু-নিশীতকে মন্ত্রীসভায় জায়গা দিতে চলেছে বিজেপি?
বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা বাংলাতেও যার অবাধ বিচরণ রয়েছে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য স্পষ্ট, শেষ লোকসভা ও একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়া এবং রাজবংশীরা আমাদের ( বিজেপিকে) ঢেলে ভোট দিয়েছেন৷ এবার ওদের ভালোবাসার সম্মান জানানোর সময়।

সাংসদ করেও দিলীপ ঘোষকে কেন মন্ত্রিত্ব নয়?
২০১৪ থেকে ২১ মোদীর মন্ত্রীসভার মন্ত্রীরা নিজেদের বক্তব্যে বিতর্ক তৈরি করেছেন এরকম ঘটনা হাতে গোনা৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনেক কৃতিত্বের একটি এটিও৷ অন্য দিকে ব্র্যান্ড দিলীপ ঘোষের জন্মই বিতর্কের মধ্যে দিয়ে। রাখাঢাক,রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তোয়াক্কা না করেই বাক্যবাণ ছোড়েন দিলীপ৷ সে কারনেই দিলীপকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা থেকে বরাবর দূরে রেখেছে বিজেপি৷ এবারে তাও আসা ছিল ঘোষবাবুর মন্ত্রিত্বের। কিন্তু নিশীত, শান্তনু দিল্লিতে ডাক পাওয়ায় আপাতত যে দিলীপ মন্ত্রী হচ্ছেন না তা স্পষ্টই৷

তেইশ পর্যন্ত রাজ্যে দিলীপই!
ভোটের আগে ও পরে দিলীপ ঘোষকে রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরানোর দাবি উঠেছে দলের মধ্যেই। সম্প্রতি তথাগত রায়ের মতো বরিষ্ঠ বিজেপি নেতাও 'রিজাইনদিলীপঘোষ' হ্যাজট্যাগের পোস্ট শেয়ার করে বার্তা দিয়েছেন৷ স্বপন দাশগুপ্ত, বাবুল সুপ্রিয় থেকে শুভেন্দু অধিকারীর মতো বিজেপি নেতাদের সঙ্গে দিলীপ ঘোষ অ্যান্ড লবির মতাদর্শগত দূরত্ব মাঝেমাঝে প্রকাশ পেয়েছে৷ সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় দিলীপের বিতর্ক তৈরির স্বভাব নিয়ে টুইটে নাম না করে কটাক্ষও করেছেন স্বপনবাবু। কিন্তু এতকিছুর পরও দিলীপের বিকল্প খুঁজে পায়নি বিজেপি৷ আর তাই নিজের দ্বিতীয় সভাপতিত্বের সম্পূর্ণ মেয়াদ ২০২৩ পর্যন্ত রাজ্যের দায়িত্বে যে দিলীপই থাকছেন তা একপ্রকার স্পষ্ট।












Click it and Unblock the Notifications