বড়দিনে জিঙ্গেল বেলে নাচলেন, গাইলেন কল্যাণ, বাচ্চাদের লজেন্স উপহার দিলেন
কল্যাণ আছে কল্যাণেই। তাঁর নামে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে৷ নতুন সংসদ ভবনের বাইরে ব্যাঙ্গাত্মক অঙ্গভঙ্গি করেছেন তিনি। উপ রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার স্পিকার জগদীপ ধনকরের নকল করেছেন তিনি৷ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় খোসমেজাজেই আছেন।
বড়দিনের উৎসবে মাতলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রীরামপুরের চার্চে এলেন। শুধু তাই নয়, রীতিমতো সান্টাক্লজের ভূমিকায় বাচ্চাদের লজেন্স, চকোলেট উপহার দিলেন। তাঁকে নিয়ে দেশীয় রাজনীতিতে ঝড় বইছে। বিজেপি ক্রমাগত আক্রমণ করছে তাঁকে৷ কিন্তু কল্যাণ যেন ডোন্ট কেয়ার।

বড়দিন উপলক্ষ্যে সোমবার সকালে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রীরামপুর চার্চে যান। সেখানে ফাদারের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর আশীর্বাদ নেন। সাধারণ মানুষের মঙ্গল কামনায় প্রার্থণা করেন তিনি। এরপর বাইরে এসে খুদেদের সঙ্গে মেতে ওঠেন। কচিকাঁচাদের হাতে তুলে দিলেন লজেন্স, চকোলেট।
উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকরকে তিনি অপমান করেছেন? নতুন সংসদ ভবনের বাইরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মিমিক্রি করেছেন। রাহুল গান্ধী সেই ঘটনা মোবাইলে ভিডিও করেন। সেই নিয়েই তীব্র চর্চা শুরু হয়। জগদীপ ধনকর ওই ঘটনায় অত্যন্ত অপমানিত হয়েছেন।
খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উপ রাষ্ট্রপতিকে সসহানুভূতি জানিয়েছেন। তিনি নিজে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এই ঘটনা সহ্য করছেন। এমন কথাও বলেছেন নরেন্দ্র মোদী। রাষ্ট্রপতিও জগদীপ ধনকরের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি শাস্তির মুখে পড়বেন? তাই নিয়ে যথেষ্ট জল্পনা চলছে৷
কিন্তু কল্যাণ বিষয়টিকে নিয়ে এত টুকু ভাবিত নন। কারণ, মিমিক্রি করা কোনও খারাপ বিষয় নয়৷ রাজনীতিতে বহু যুগ ধরে মিমিক্রি চলে আসছে। এমন দাবি তিনি করেছেন। তিনি যে ভুল করেননি। সেই কথা এলাকার একটি সভাতেও জানিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
বড়দিনের অনুষ্ঠানে যেন তিনি বিতর্ককে গায়ে মাখতেই চাইছেন না। একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও সাংসদ যোগ দিয়েছেন। মাইক্রোফোন হাতে গায়কের সঙ্গে গানের কয়েক কলি গেয়েওছেন কল্যাণ। জিঙ্গেল বেল সুরের সঙ্গে সাংসদকে শরীর দোলাতেও দেখা যায়।
যদিও ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাংসদ দাবি করেছেন, তিনি উপ রাষ্ট্রপতিতে অপমান করেননি। জগদীপ ধনকর তাঁর গুরুজন৷ তাঁকে শ্রদ্ধাই করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications