মুকুল, দিলীপদের উৎসাহে ধাক্কা দিয়ে রণে ভঙ্গ অমিত শাহের! মুখ বাঁচাতে আসছেন জেপি নাড্ডা
মুকুল, দিলীপদের উৎসাহে ধাক্কা দিয়ে রণে ভঙ্গ অমিত শাহের! মুখ বাঁচাতে আসছেন নাড্ডা
পুজোর আগেই রাজ্য সফরে আসার কথা ছিল বিজেপির (bjp) প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (amit shah)। যার জন্যে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল শিলিগুড়িতে (siliguri)। এদিন জানা গিয়েছে, তিনি পুজোর আগে আসতে পারছেন না। তার বদলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (jp nadda)আসছেন। তিনি শিলিগুড়িতে সাংগঠনিক সভা করে ফিরে যাবেন।

জেপি নাড্ডার সফর নিয়ে সায়ন্তন বসু
এদিন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু জানিয়েছেন, পুজোর আগে উত্তরবঙ্গ সফরে আসছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ১৯ অক্টোবর তিনি শিলিগুড়িতে দলের একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন। পাশাপাশি শহরের বেশ কিছু দুর্গাপুজোর মণ্ডপেও তিনি যাবেন বলে জানা গিয়েছে।

বৈঠক বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে
উত্তরবঙ্গের ভোটে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেদিকে তাকিয়ে জেপি নাড্ডা গোর্খা ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গিয়েছে। পরের দিন অর্থাৎ ২০ অক্টোবর তিনি শিলিগুড়ি থেকে দিল্লি ফিরে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।

পুজোর পরে আসতে পারেন অমিত শাহ
তবে বিজেপি সূত্রে খবর পুজোর আগে আসতে না পারলেও, পুজোর পর অমিত শাহ রাজ্য সফরে আসতে পারেন। অমিত শাহের শিলিগুড়ি সফরের আগে পরিস্থিতির পর্যালোচনায় সেখানে গিয়েছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং সায়ন্তন বসু। রবিবার বৈঠকের পর তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। যদিও এদিন সায়ন্তন বসু জানিয়েছেন, অমিত শাহ আসতে পারছেন না। তাঁদের বৈঠকের পর সোমবার সকালে তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলন করেন। এছাড়াও শিলিগুড়িতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতা অরবিন্দ মেনন। আগামী দিন কয়েকে বিজেপির রাজ্য নেতাদের মধ্যে অনেকেই শিলিগুড়িতে সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনের জন্য পরামর্শ
উত্তরবঙ্গে বিধানসভার আসন রয়েছে ৫৪টি। ২০১৯-এর লোকসভার নিরিখে এর ৩৬টিতে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।

নাড্ডা এর আগে করেছিলেন দলের ভার্চুয়াল সভা
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দীর্ঘদিন রাজ্যে না আসলেও ভার্চুয়াল সভা করেছিলেন। দলের কার্যনির্বাহীদের ভার্টুয়াল সভায় তিনি প্রতিটি বুথের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সভায় তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তুষ্টিকরণের অভিযোগ তুলেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications