গাড়ি নয়, লোকাল ট্রেনে বসিরহাটে সুকান্ত মজুমদার! এসপি অফিসের চারদিকে কড়া নজরদারি
বসিরহাট পুলিশ সুপারের অফিস কার্যত নিরাপত্তার কড়া বেষ্টনীতে রয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এসপি অফিস ফেরাও অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এদিকে নতুন পন্থা অবলম্বন করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। গাড়ির কনভয় নয়, রেলপথে বসিরহাট যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সেই মতো হৃদয়পুর স্টেশন থেকে তিনি ট্রেন ধরার জন্য অপেক্ষা করলেন।

নিউ টাউন থেকে সুকান্ত মজুমদার বসিরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে আটকানো হতে পারে, এমন আশঙ্কা রয়েছে। সে কারণেই তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত বদল করেন। উত্তর ২৪ পরগনার হৃদয়পুর স্টেশনে পৌঁছে যান তিনি৷ ৩০ জনের রেলের টিকিট কাটা হয় বসিরহাট যাওয়ার জন্য। সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা ছাড়াও অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব রয়েছেন।
গতকাল সন্দেশখালি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীরা। বিজেপি বিধায়কদের সায়েন্স সিটির কাছে আটকে দেওয়া হয়। বিরোধীদের কাউকেই সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ১৪৪ ধারা লঙ্ঘণ করে বিরোধীরা যেতে পারবে না। বিরোধীরা গেলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে। এমন কথাও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।
সুকান্ত মজুমদারের পথ আটকানো হবে। একথা নিশ্চিত ছিল। বসিরহাট এসপি অফিস ঘেরাও অভিযানের ডাক দিয়েছেন তিনি। তাই লোকাল ট্রেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। লোকাল ট্রেন কোনওভাবেই পুলিশ প্রশাসন আটকাতে পারবে না। সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত। মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
তবে বসিরহাট স্টেশনে সুকান্ত মজুমদারদের আটকানো হবে। একথা অনুমান করা হচ্ছে। সেই মতো তখন বিজেপি নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেবেন। এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকে কার্যত টানটান উত্তেজনা সংগ্রামপুর এলাকায়। ওই এলাকাতেই বসিরহাট পুলিশ সুপারের দফতর।
১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এসপি অফিসের ৫০০ মিটার আগে থেকে এই ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। ব্যারিকেড করা হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। একাধিক রাস্তায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। সকাল থেকেই মাইকে ১৪৪ ধারা জারি করার কথা প্রচার করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications