বিরামহীন নোট-দুর্ভোগ চলছেই, ২৫ দিন পরও হতাশার ছবি রাজ্যে
এটিএম কাউন্টারগুলি খোলা, তার অধিকাংশতেই ঝুলছে ‘নো-ক্যাশ’ বোর্ড। কোথাও বা ‘অনলি ২০০০ নোট’-এর বিজ্ঞপ্তি। নতুন মাসের তিনদিন কেটে গেলেও দুর্ভোগের শেষ হচ্ছে না।
কলকাতা, ৩ ডিসেম্বর : বিরামহীন নোট-দুর্ভোগ চলছেই। অধিকাংশ এটিএম বন্ধ। যে এটিএম কাউন্টারগুলি খোলা, তার অধিকাংশতেই ঝুলছে 'নো-ক্যাশ' বোর্ড। কোথাও বা 'অনলি ২০০০ নোট'-এর বিজ্ঞপ্তি। নতুন মাসের তিনদিন কেটে গেলেও দুর্ভোগের শেষ হচ্ছে না। নোট বাতিলের ২৫ দিন পরও রাজ্যজুড়ে সেই হতাশার ছবিই ফুটে উঠছে সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত।
এটিএম কাউন্ডার হোক বা ব্যাঙ্ক। যেখানে টাকা, সেখানেই দীর্ঘ লাইন। আর হাতেগোনা কয়েকটা এটিএমেই মিলছে ১০০ টাকা। ৫০০ টাকার নোটের দেখা তো নেই-ই, ২০০০ টাকা তোলা আর না তোলা সমান হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে। ব্যাঙ্কে গিয়েও পর্যাপ্ত টাকা মিলছে না। বহু সময় ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। দুর্ভোগের মাত্রা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, চাকরীজাবী হন, পেনশনভোগে রেহাই নেই কারও।

মাসের শুরুতে পেনশন তুলতে এসে নাকাল হতে হচ্ছে পেনশনভোগী। গতকালই নোটের লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু হয়েছে এক পেনশনভোগীর। শুধু যে প্লাস্টিক মানিতে সমাধান হবে না, নিত্য সংসার চালাতে হাতে খুচরো টাকার প্রয়োজন। সেইটাই কেড়ে নেওয়া হয়েছে দেশবাসীর হাত থেকে। খুচরো সমস্যায় ভুগছেন সবাই। এক ব্যবসায়ী বাধ্য হয়ে ব্যাঙ্ক থেকে ২০০০টি ১০ টাকার কয়েন বাড়ি নিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
তাঁর বেশি অঙ্কের টাকার দরকার। ব্যাঙ্ক নোট দিতে না পারায় কয়েন নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন কলকাতার মহম্মদ ফইম। শহরবাসীর হাতে তবু কার্ড ব্যবহারের সুযোগ বেশি, কিন্তু গ্রামের মানুষ সবথেকে বিপাকে পড়েছে। সাধারণ গ্রাহকদের কথায়, প্রধানমন্ত্রী ক্যাশলেশ যে পরিষেবার কথা বলছেন, তা গ্রামে চালু হওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications