টাকা নিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চালাচ্ছিলেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক! ফাঁস হতেই FIR এর নির্দেশ নবান্নের
করোনা ভ্যাকসিন দেওয়াকে কেন্দ্র করে কার্যত একের পর এক কেলেঙ্কারি! যা নিয়ে বারবার প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকারের ভূমিকা। যদিও করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে ওঠা যে কোনও অভিযোগের ক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে নবান্ন। তবে বিতর্কের মধ্যে কা
করোনা ভ্যাকসিন দেওয়াকে কেন্দ্র করে কার্যত একের পর এক কেলেঙ্কারি! যা নিয়ে বারবার প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকারের ভূমিকা। যদিও করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে ওঠা যে কোনও অভিযোগের ক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে নবান্ন। তবে বিতর্কের মধ্যে কার্যত এক ভয়ঙ্কর এক দুর্নীতির অভিযোগ।
উত্তর ২৪ পরগনার ছোট জাগুলিয়া এলাকাতে করোনার ভ্যাকসিন বিক্রি করার অভিযোগ খোদ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের বিরুদ্ধে।

আর সেই কেলেঙ্কারি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসল জেলা প্রশাসন।
শুধু তাই নয়, নবান্নের তরফেও অভিযুক্ত ওই ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের বিরুদ্ধ এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, যাতে কড়া শাস্তির কথাও বলা হয়েছে।
করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ বিজেপির। রাজ্যের বিরুদ্ধে মারাত্মক এই অভিযোগে সরব হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি কেলেঙ্কারি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দ্বারস্থও হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, কেন্দ্রের পাঠানো ভ্যাকসিন ঠিক মতো মানুষকে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ বিজেপি রাজ্য সভাপতির। আর এহেন অভিযোগের মধ্যে একের পর এক দুর্নীতি।
গত কয়েকদিন আগেই ভাঙর এলাকাতে এক তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে ভ্যাকসিন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে পড়ে যায় তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ভ্যাকসিন দেওয়াকে কেন্দ্র করে পদপৃষ্ঠের ঘটনা ঘটে। ধুপগুড়িতে ৫০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয় এই ঘটনাতে।
আর এর মধ্যেই খোদ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন বিক্রি করার অভিযোগ। অভিযুক্ত ওই আধিকারিক বারাসত ১ নং ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক। নাম সব্যসাচী রায়। অভিযোগ, ছোট জাগুলিয়া এলাকার এয়ারপোর্ট এলাকার বাসিন্দা বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে বাড়ি গিয়ে তিনি ভ্যাকসিন দিয়েছিলেন।
শুধু তাই নয়, ভ্যাকসিন দেওয়ার পর টাকাও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই সংক্রান্ত একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হতেই চরম বিতর্ক দানা বাঁধে। পুরো ঘটনার খোঁজ নেওয়া হয় জেলা স্বাস্থ্য দফতরের পর। আর এই ঘটনার সত্যতা সামনে আসার পরেই নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য দফতর।
রাতারাতি ওই অভিযুক্ত আধিকারিককে সাসপেণ্ড করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কাছে তিনদিনের মধ্যে এই নিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে নবান্নেও এই সংক্রান্ত তথ্য পৌঁছতেই বিষয়টি যথেষ্ট গুরত্ব দিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে। দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্দধে এফআইআর করার নির্দেশ।
উল্লেখ্য, আগেই মমতা বন্দে্যোপাধায় ঘোষণা করেছিলেন যে রাজ্যের মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এরপর সরকারের তরফে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘিষনা করা হয়। সেই মতো সরকারি ক্ষেত্রে বিনামু্ল্যে ভ্যাকসিনেশনের কাজ চলছে। নিয়ম অনুযায়ী সেন্টারে এসে ভ্যাকসিন নিতে হয়।
কিন্তু খুব প্রয়োজনে বাড়িতে সরকারি আধিকারিক কিগবা অন্যান্য কর্মীরা ভ্যাকসিণ দিতে গেলেও কোনও টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। তবে এক্ষেত্রে কিভাবে ওই আধিকারিক টাকার বিইময়ে এই কাজ করলেন তা ইয়ে একটা প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications