Bengal By Election: তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে পড়ল না আরজি করের প্রভাব! দিকে দিকে রেকর্ড জয় প্রার্থীদের
West Bengal By Elections Result: গত কয়েকমাসে আরজি কর হাসপাতাল ইস্যুতে উত্তাল কলকাতা! যার আঁচ ছড়িয়ে পড়ে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে। ঝড় ওঠে প্রতিবাদের। এমনকি শাসকদলের বিরুদ্ধেও দিকে দিকে স্লোগান ওঠে। যা নিঃসন্দেহে চাপ বাড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উপর। এই প্রেক্ষাপটে বাংলার ছয় বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন ছিল তৃণমূলের কাছে বড় পরীক্ষা।
আর সেই পরীক্ষায় ১০০ শতাংশ নম্বর পেয়ে ফের একবার 'ফার্স্ট বয়' হিসাবেই প্রমাণিত করল শাসকদল। আরজি করের (RG kar Hospital) ঘটনার কোনও প্রভাবই কার্যত পড়ল না তৃণমূলের ভোট ব্যঙ্কে (West Bengal By Elections Result)।

বাংলার ছয় কেন্দ্র অর্থাৎ নৈহাটি, হাড়োয়া, মেদিনীপুর, তালডাংরা, মাদারিহাট ও সিতাইয়ের বিধানসভা উপনির্বাচনে একেবারে রেকর্ড ভোটে তৃণমূল প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। কয়েকটি ক্ষেত্রে ওই কেন্দ্রে জয়ের রেকর্ড মার্জিনকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। এই ফল অনেকটাই তৃণমূল কংগ্রেসকে স্বস্তি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, আরজি করের ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের যে কোনও ভূমিকা ছিল না তা বাংলার মানুষ বুঝতে পেরেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদল নোংরা রাজনীতি করেছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। আর এর বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিয়েছে বলেও এদিন দাবি করেন বারাকপুর লোকসভার তৃণমূল সাংসদ। তবে আরজি কর হাসপাতালের ঘটনাকে রাজনীতির মধ্যে না নিয়ে আসাই উচিৎ বলেই মনে করেন বাম শীর্ষ নেতৃত্ব।
তাঁর কথায়, আরজি করে যে ঘটনা ঘটেছে তা জঘন্যতম একটা অপরাধ। প্রশ্নের মুখে মহিলাদের সম্মান-নিরাপত্তা। এই ঘটনার বিচার চেয়ে মানুষ পথে নেমেছে। আন্দোলন করেছে। এর সঙ্গে রাজনীতি কিংবা ভোটে জেতা-হারা মেলানো উচিত নয় বলে দাবি বাম নেতার কথায়।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত অগাস্ট মাসে আরজি কর হাসপাতালের মধ্যেই এক জুনিয়র চিকিৎসককে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। সেই ঘটনাকে ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের বিরুদ্ধে একটা ক্ষোভ তৈরি হয়। দিনের পর দিন রাত দখল করে চলে মহিলাদের বিক্ষোভ।
মনে করা হয়েছিল এর প্রভাব হয়তো ছয় রাজ্যের বিধানসভা উপ নির্বাচনে পড়তে পারে। কিন্তু মানুষের রায়ে আরও একবার স্পষ্ট যে, বাংলার সিগন্যাল এখনও গ্রিন।












Click it and Unblock the Notifications