কর্মবিরতি করার জন্য চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয় : সুপ্রিম কোর্ট
কাজে ফিরুক জুনিয়র ডাক্তাররা৷ আরও একবার এই বক্তব্য রাখলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। তাদের সম্পূর্ণভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। সেই বক্তব্য আরও একবার সর্বোচ্চ আদালত থেকে রাখা হল।
আরজি কর ঘটনায় চিকিৎসকরা আন্দোলনে রয়েছে। কোনওভাবেই তারা আন্দোলন থেকে সরে আসছেন না। গতকাল স্বাস্থ্যভবনেও তারা গিয়েছিলেন। কিন্তু সঠিক আশ্বাস তারা পাননি। সেই কারণে আন্দোলন চলবে। এই কথা জানানো হয়েছিল। আরজি কর হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা বন্ধ রয়েছে।

জুনিয়র চিকিৎসকরা কাজে না থাকায় পরিষেবা পেতেও সমস্যা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আরও একবার তাদের কাজে ফিরতে আহ্বান করল সুপ্রিম কোর্ট৷ যারা আন্দোলন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এই কথা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়।
হস্টেলে জুনিয়র চিকিৎসক ও ইন্টার্নদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হস্টেলে এই অভিযোগ আসছে। শুনানিতে সরকারি চিকিৎসকদের আইনজীবী এই বক্তব্য রেখেছেন। কারা টার্গেট করছে জুনিয়র চিকিৎসকদের? প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি। প্রশাসন ও কিছু দুষ্কৃতী হুমকি দিচ্ছে৷ এই কথা জানানো হয়েছে আদালতে।
হাসপাতালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা মোতায়েন রয়েছে। যাদের উপর হুমকি আসছে। সেই নাম দেওয়া হোক। সিআইএসএফ জওয়ানরা ব্যবস্থা নেবে। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এই কথা জানিয়েছেন।
আরজি কর হাসপাতালে ঘটনার পর থেকেই প্রবল বিক্ষোভ চলছে। কর্মবিরতিতে গিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সিনিয়র চিকিৎসকরাও তাদের এই আন্দোলনে পাশে রয়েছেন। এই অবস্থায় পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে রোগীদের বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। আউটডোর পরিষেবা সেই অর্থে চলছে না। তাদের উপযুক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, কাজ করা সম্ভব নয়। এছাড়াও গোটা ঘটনার দোষীদের যথাযথ শাস্তি প্রয়োজন। এই দাবিতে রয়েছেন দুনিয়ার চিকিৎসকরা।
শুনানির প্রথম দিন থেকেই সুপ্রিম কোর্ট এই আন্দোলনের পাশে রয়েছে। তাদের আন্দোলন যুক্তিযুক্ত। এই কথাও শুনানির সময় জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কিন্তু কর্মবিরতি থেকে কাজে ফেরার আহ্বান জানানো হয়ও। আজ বৃহস্পতিবার শুনানির সময় সেই আহ্বান আরও একবার করলেন বিচারপতিরা।
জুনিয়র চিকিৎসকদের টানা ৩৬ ঘন্টা কাজ করতে হয়। কখনও সেই সময়সীমা ৪৮ ঘন্টাও হয়ে যায়। এদিন শুনানির সময় এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হয়। ৪৮ ঘণ্টা কাজ করার পর শরীর, মন অবসন্ন হয়ে যায়। তখন কেউ উত্যক্ত করলেও বাধা দেওয়ার ক্ষমতা থাকে না। এমনই জানিয়েছেন চিকিৎসকদের আইনজীবী।
চিকিৎসককের আইনজীবী আরও অভিযোগ করেছেন, ১৪ লক্ষ টাকার সিসিটিভি আরজি কর হাসপাতালে ইনস্টল করা হয়নি। এক্ষেত্রেও অভিযোগ হাসপাতালের প্রাক্তন সুপারের দিকে।












Click it and Unblock the Notifications