''রবীন্দ্রনাথের মাটিতে খুন, ধর্ষণ, ভিটেছাড়া হতে হয়েছে মানুষকে'', সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন! বিস্ফোরক রিপোর্ট
ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিল মানবাধিকার কমিশনের আধিকারিকরা। পঞ্চাশ পাতার একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বৃহত্তর বেঞ্চে দেওয়া হচ্ছে। কার্যত যে রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে মানবাধিকার
ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিল মানবাধিকার কমিশনের আধিকারিকরা। পঞ্চাশ পাতার একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বৃহত্তর বেঞ্চে দেওয়া হচ্ছে।
কার্যত যে রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে মানবাধিকার কমিশনের আধিকারিকরা জমা দিয়েছেন সেখানে কার্যত রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

কবি গুরুর কবিতার লাইন তুলে ধরে রাজ্যকে আক্রমণ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। শুধু তাই নয়, অবিলম্বে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন বলে মনে করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।
শুধু তাই নয়, এই রাজ্যে বাইরে শুনানির প্রয়োজন বলেও মানবাধিকার কমিশনের তরফে জমা দেওয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে। তবে এদিন মানবাধিকার কমিশনের এই রিপোর্ট ঘিরে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে তৃণমূলের তরফে। সৌগত রায় এই রিপোর্ট নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এই রিপোর্ট অতিরঞ্জিত।
শুধু তাই নয়, এই মানবাধিকার কমিশনের তরফে দেওয়া নিয়ে রিপোর্ট নিয়ে ক্ষুব্ধ খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর সাফ জবাব, পক্ষপাতমূলক রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। কারা এই রিপোর্ট পেশ করেছে তাঁদের পরিচয় আমি জানি। কিন্তু বলব না। তবে আদালতকে আমি সম্মান করি। অন্যদিকে বৃহত্তর বেঞ্চে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্টে আরও বিস্তারিত বেশ কিছু অভিযোগ তোলা হয়েছে।
রিপোর্ট বলছে, গত ২ মাসে রবীন্দ্রনাথের মাটিতে খুন, ধর্ষণ, ভিটেছাড়া হতে হয়েছে মানুষকে। এই ধরনের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না হলে ছড়িয়ে পড়বে অন্য রাজ্যে। ভারতের মতো মহান দেশে গণতন্ত্রের মৃত্যুঘণ্টা বেজে যাবে। এই হিংসা অবিলম্বে বন্ধ করা দরকার।
আদালতের কাছে কমিশনের সুপারিশ, একাধিক মামলার শুনানি প্রয়োজন। ভোটের পর থেকে একের পর এক ধর্ষণ, খুনের মতো ঘটনা ঘটেছে। সেখানে দাঁড়িয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পেশাল তদন্তকারী দল গঠনের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
শুধু তাই নয়, আদালতের পর্যবেক্ষণেই চলবে তদন্ত। শুধু তাই নয়, দ্রুত বিচারে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করে বিচার শেষ করতে হবে। এমনটাই সুপারিশে বলা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন তাঁদের ৫০ পাতার রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে, আদালতের পর্যবেক্ষণে মামলার তদন্ত শুরু হলেও বিশেষ সরকারি আইনজীবী নিয়োগ করতে হবে বলেও হাইকোর্টের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।
তবে এক্ষেত্রে সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্তদের অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলেও সুপারিশে বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications