এর পর দুই 'ম' জেলে যাবে, মদনের গ্রেফতারির পর বলছে বিরোধীরা

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেছেন, "গোটা তৃণমূলই বেনিফিশিয়ারি হয়েছে। এর পর দুই 'ম' গ্রেফতার হবে। সেই দিনটা আশা করি খুব তাড়াতাড়ি আসবে।"
আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় বলেছেন, "যারা গরিব মানুষের টাকা নিয়েছে, তাদের এটাই প্রাপ্য। এতদিন তো রাজ্য পুলিশ তদন্তের নামে শুধু নাটক করেছিল। সিবিআই আসায় রাঘববোয়ালরা জালে পড়ছে।"
আরও পড়ুন: সারদা-কাণ্ডে গ্রেফতার পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র
আরও পড়ুন: বিজেপি 'গরমেন্ট' সীমা ছাড়াচ্ছে, আজ থেকে লড়াই শুরু, প্রতিক্রিয়া অগ্নিশর্মা মমতার
আরও পড়ুন: মদনের গ্রেফতারির পিছনে রাজনীতি দেখছে তৃণমূল, নামছে পথে
কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ বলেন, "মদনের জন্য খারাপ লাগছে। ওর ভাগ্য বরাবরই খারাপ। যেমন ধরুন, ছেলের বিয়েতে দশ হাজার লোককে নেমন্তন্ন করেছিল। দু'হাজার টাকার প্লেট ছিল। যারা খেয়েছে, তারাই পরে গালাগালি করেছে। তখন যারা মদনের সঙ্গে মিলেমিশে সারদার টাকা খেল, তারাই এখন ওকে চিনতে পারবে না।" অরুণাভবাবু নাম না করলেও বোঝা যাচ্ছে, কাদের দিকে তিনি ইঙ্গিত করেছেন।
আর এক কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান বলেন, "এ বার মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা উচিত। কারণ সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার আগে 'সিট' তদন্তের নামে প্রহসন করেছে। আজ মদন মিত্র গ্রেফতার হওয়ায় তাঁর মন্ত্রীসভাই আস্থা হারাল।"
প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ সুজন চক্রবর্তী বলেন, "গরিব মানুষের টাকা লুঠ করার পরও যাদের লজ্জা হয় না, ক্ষমতার দম্ভে থাকতে চায়, তাদের এমনই হওয়া উচিত। সর্বস্ব খুইয়ে মানুষ পথে বসেছে, আত্মহত্যা করেছে। গরিব মানুষের মৃত্যুর কে জবাব দেবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি টাকা খরচ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়েছেন, যাতে সিবিআই না হয়! তিনি সিবিআই-কে আটকানোর চেষ্টা করেছেন। খুব দুর্ভাগ্যজনক। মুখ্যমন্ত্রী এ বার বলুন, তিন বছরে মন্ত্রীদের কত সম্পত্তি হয়েছে। চোরেদের দিয়ে সরকার চলে না।"












Click it and Unblock the Notifications