ভোট দেবেন দাদু, বুথে হঠাৎ ‘আবির্ভাব’ নাতির! পুরুলিয়া দেখাল ‘গণতন্ত্রে’র নতুন ছবি
রাজ্যে গণতন্ত্র আজ ভুলুণ্ঠিত। এখানে ভোট মানেই হিংসা, ভোট মানেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এ রাজ্যে গণতন্ত্রকে বিধ্বস্ত করার আরও এক চিত্র ধরা পড়ল পুরুলিয়ায়।
পঞ্চায়েত ভোট আর উৎসব নয়। প্রমাণ করল বাংলার ভোট। গণতন্ত্র আজ ভুলুণ্ঠিত। এখানে ভোট মানেই হিংসা, ভোট মানেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এ রাজ্যে গণতন্ত্রকে বিধ্বস্ত করার আর এক চিত্র ধরা পড়ল পুরুলিয়ায়। যেখানে নাতি সেজে দাদুর ভোট দিয়ে গেল জনৈক এক যুবক। অশীতিপর এক বৃদ্ধকে দিয়ে সমস্ত প্রক্রিয়ার পর তাঁর ভোট দিন অপরিচিত এক যুবক।

পুরুলিয়ার বরাবাজারে পল্লিশ্রী কমিউনিটি হলের বুথে ঘটল এই ঘটনা। অশীতি পর এক বৃদ্ধ ভোট দিতে এসেছিলেন কেন্দ্রে। নাতি পরিচয় দিয়ে দাদুর ভোট দিতে বুথে ঢুকে পড়ল যুবক। কিন্তু ভোটদানের পরই প্রকাশ হয়ে গেল যুবকের পরিচয়। ওই যুবক আসলে ভোটদাতার কোনও স্বজন বা আত্মীয় নন, নন পরিচিতও। অথচ বৃদ্ধের নাতি সেজে বেমালুম ভোট দিয়ে চলে গেলেন।
এই ধরনের নানা ঘটনা ঘটছে। যাতে পঞ্চায়েত ভোট কার্যত প্রহসনে রূপান্তরিত হচ্ছে। এখানে ভোট এলেই নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। আবার ভোট মিটলেই আর সে সম্পর্ক থাকে না। যেমনটা হল পুরুলিয়ার এই বুথে। যেখানে মুহূর্তেই দাদুর নাতি বনে গেলেন যুবক। আবার ভোট দেওয়া হতেই দাদুকে ফেলে গা ঢাকা দিল সেই নতুন 'নাতি'। ভোটের এমনই মহিমা যে এক নাতি পেলেন বৃদ্ধ। অন্তত ভোটের নাতি তো হল!
ভোট চলাকালীন যেখানে ব্যালট বক্সে আগুন ধরানো হয়, ভোট চলাকালীন ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দেওয়া হয়, ব্যালট বক্স ভেঙে ভোটগণনা শুরু করে দেওয়া হয় ভোটকেন্দ্রেই, লঙ্কার গুঁড়ো ছিটিয়ে দেওয়া হয় ভোটারদের চোখে, সেখানে নাতি সেজে দাদুর ভোট দেওয়া আর খারাপ কি!












Click it and Unblock the Notifications