জলপাইগুড়িতে হাসপাতালে নয়া মর্গ চালু
নতুন ভাবে তৈরি হল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নবনির্মিত মর্গ। বৈদ্যুতিকরণের কাজ শেষ করেই মর্গটি পুর্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে জেলা হাসপাতালকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নতুন ভাবে তৈরি হল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নবনির্মিত মর্গ। বৈদ্যুতিকরণের কাজ শেষ করেই মর্গটি পুর্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে জেলা হাসপাতালকে হস্তান্তর করা হয়েছে। অবশেষে চালু হতে চলেছে নতুন মর্গের কাজ। আগামী সোমবার থেকে ওই নতুন মর্গে কাজ চালু করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা হাসপাতাল সুপার গয়ারাম নস্কর। তিনি বলেন নতুন মর্গে কাজ শুরু হলে জেলা হাসপাতালে থাকা মর্গটির চাপ কমবে ।এছাড়াও আরো বেশী করে মৃত দেহ রাখার সুবিধা পাওয়া যাবে এই জেলা হাসপাতালে।

জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে বর্তমান জরুরি বিভাগের পাশে থাকা মর্গটি বন্ধ করে দিয়ে নতুন মর্গ চালু করা হয়। যা এখন নাসিং হস্টেলের পাশে আছে। এই মর্গটিতে ৮ টি মৃত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে অনেক বেশী মৃতদেহ রাখা হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর এই জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা সমস্ত মৃতদেহ এই মর্গে এনে রাখা হতো। এই মুহুর্তে মর্গে প্রায় ৩৫ টি মৃতদেহ রাখা আছে। এর মধ্যে তিন থেকে চারটি মৃতদেহ কয়েক বছরের পুরনো। জায়গা না থাকার কারণে পাশাপাশি করে কোনো রকম ভাবে মৃতদেহ গুলিকে রাখার কারনে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে।
মর্গের এই দুর্গন্ধ নিয়ে হাসপাতাল পাড়ার বাসিন্দারা অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। এই কারনে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি করার সময় বলা হয়েছিল। এরপরই জেলা হাসপাতালের পক্ষ থেকে নতুন করে একটি মর্গ তৈরি করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যদিও মর্গ তৈরির জমি নিয়ে প্রথম অবস্থায় সমস্যা হলেও পরে তা কাটিয়ে উঠে। রাজ্য সরকারের বরাদ্দ করা ৮০ লক্ষ টাকা দিয়ে কাজ শুরু করে পুর্ত দপ্তর। প্রায় দেড় বছর আগে ওই মর্গ তৈরির কাজ শুরু করা হয়।
এদিন জেলা হাসপাতাল সুপার গয়ারাম নস্কর বলেন নবনির্মিত মর্গে ৩২ টি মৃতদেহ রাখা যাবে। মৃতের পরিবারের লোকেদের সেখানে বসার জায়গা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন সোমবার থেকেই ওই মর্গ চালু করে দেওয়া হবে। এতে মৃতদেহ রাখার ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে বলে মনে করে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ।












Click it and Unblock the Notifications