'পাড়ায় পাড়ায় সমাধান' কর্মসূচি ঘোষণা মমতার! কোন কোন সুবিধা, একনজরে
'পাড়ায় পাড়ায় সমাধান' কর্মসূচি ঘোষণা মমতার! কোন কোন সুবিধা, একনজরে
বছরের শুরুতে নতুন কর্মসূচি (programme) শুরু করতে চলেছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার ( trinamool congress govt)। এদিন বোলপুরের প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) ঘোষণা করেন, ২ জানুয়ারি থেকে সারা রাজ্যে শুরু হবে পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি (Neighborhood solution programe)। ছোটখাটো সব কাজ করা হবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে।

পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি
দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির পরে এবার পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের। বোলপুরের প্রশাসনিক সভা থেকে নতুন এই কর্মসূচির কথা এদিন ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কর্মসূচি শুরু করা হবে ২ জানুয়ারি থেকে। যা চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ছোটখাটো সব কাজ এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

যে যে কাজ করা হবে
সরকারের আশা এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যেকের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছেন, কখনও কোনও স্কুলে ক্লাসরুমের দাবি থাকে, শৌচালয়ের দাবি থাকে। কোনও কোনও সময় দেখা যায় পাইপলাইন বসলেও জল পাওয়া যাচ্ছে না। গ্রামে হাসপাতাল থাকলেও অ্যাম্বুলেন্স থাকে না। কালভার্ট না তৈরি হওয়ায় অসুবিধায় পড়েন সাধারণ মানুষ। রাস্তা তৈরি না হওয়ায় ক্ষোভ তৈরি হয়। এইসব সমস্যার সমাধান করতেই এই প্রকল্পের ভাবনা। বকেয়া থাকা কাজই এই প্রকল্পের মাধ্যমে করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

তৈরি হচ্ছে আলাদা টাস্ক ফোর্স
এদিন মুখ্যমন্ত্রী সফরসঙ্গী মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নতুন বছরে নতুন অভিযান শুরু করা হচ্ছে। ২ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই অভিযানের জন্য আলাদা টাস্কফোর্স তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মতোই আলাদা প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রাখা হচ্ছে এই কর্মসূচির জন্য। তিনি বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যেই এই প্রকল্পে সমাধানের কাজ শুরু হয়ে যাবে।

দুয়ার সরকারে ব্যাপক সাড়া
নভেম্বরে শেষের দিকে বাঁকুড়ার প্রশাসনিক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ১ ডিসেম্বর থেকে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু করবে। সেই অনুযায়ী, ব্লকে ব্লকে এই কাজ এখনও চলছে। এই প্রকল্পে ব্যাপাক সাড়া পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে সরকারি তরফে। যাঁদের কাছে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছয়নি, তাঁদের জন্যই মূলত এই প্রকল্প। স্বাস্থ্যসাথী, খাদ্যসাথী, জাতিগত শংসাপত্র, শিক্ষাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, জয় জোহার, তফশিলি বন্ধু, ঐক্যশ্রী, র ১০০ দিনের কাজ, মিউটেশন এবং কৃষক বন্ধু সুবিধা নিতে অনেক মানুষ ভিড় করেছেন কিংবা করছেন। এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত সব থেকে বেশি মানুষ গিয়েছেন স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের কার্ড করাতে। সরকারি কর্মী এবং আ্রধিকারিকরা ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবকরাও এই কাজে সাহায্য করছেন।












Click it and Unblock the Notifications