এসআইআর চালুর আগে বড় পদক্ষেপ! ১ হাজারের কাছাকাছি বিএলওদের শো কজ করল নির্বাচন কমিশন
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর চালু স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। বিজেপিও মনে করছে, বিহারের মতো এখানেও এসআইআরের জন্য তিন মাস সময় লাগতে পারে।
এসআইআরের আগে ২০০২ ও ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখতে ম্যাপিংয়ের কাজ কার্যত শেষ। তবে বেশ কয়েকজন বিএলও-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থায়ী কর্মীদের কাজে না লাগিয়ে অনেক জায়গায় অস্থায়ী কর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। আবার শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, অনেক বিএলও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নজরেও এসেছে, অনেক বিএলও নির্দেশিকা মেনে কাজ করেননি, গড়িমসি করছেন। বিজেপির দাবি, অনেক বিএলও নিরাপত্তার অভাব বোধ করেই কাজ করতে ভয় পাচ্ছেন।
এই আবহে নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশিকা অমান্য করার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১০০০ বুথস্তরীয় আধিকারিক বা বিএলও-কে শো কজ করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অ্যাক্ট, ১৯৫০-এর অধীনে এই কারণ দর্শানোর নোটিশগুলি জারি করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও)-এর বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ইআরও-নেট পোর্টালে বিএলও হিসেবে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন অনেকেই। নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধরনের ব্যর্থতা ইচ্ছাকৃত অবহেলা এবং গুরুতর দায়িত্বে অবহেলার সামিল।
নোটিশ অনুযায়ী, এই ধরনের ব্যর্থতা ইচ্ছাকৃত অবহেলা এবং রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল অ্যাক্ট, ১৯৫০-এর ধারা ৩২ অনুযায়ী গুরুতর দায়িত্বে অবহেলার সমান। এই ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনী কাজের জন্য নিযুক্ত সকল আধিকারিককে নির্বাচন কমিশন অব ইন্ডিয়া (ইসিআই)-এর নির্দেশাবলি মেনে চলতে হবে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় বিএলও-রা ইসিআই-এর অধীনে প্রতি নিয়োজিত বলে গণ্য হবেন এবং তাঁরা কমিশনের তত্ত্বাবধান ও শাস্তিমূলক নিয়ন্ত্রণের অধীন। এই বিএলও-দের তিন দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে যে, কেন তাঁদের বিরুদ্ধে "ইচ্ছাকৃত অবহেলা" এবং "সরকারি নির্দেশ অমান্য" করার জন্য শাস্তিমূলক বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না?
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি তাঁরা সাড়া দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে ধরে নেওয়া হবে যে, তাঁদের কাছে কোনও বৈধ কারণ নেই। সেক্ষেত্রে আইন ও বিভাগীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএলওদের নিরাপত্তা প্রদান করে ভোটার লিস্ট চূড়ান্ত করার দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলের নেতারা। বিজেপির বক্তব্য, সঠিক ভোটার তালিকা তৈরি না হলে ভোট হওয়া সম্ভব নয়।












Click it and Unblock the Notifications