কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসে পরিণত হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল, কটাক্ষ নওশাদ সিদ্দিকীর
সম্র্যতি সর্বভারতীয় তকমা হারিয়েছে তৃণমূল। জাতীয় স্বীকৃত হারিয়ে এখন রাজ্যের দলে রূপান্তরিত হয়েছে তারা। হাওড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী এবার কটাক্ষ করলেন, কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসে পরিণত হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।
তাঁর কথায়, আগামী দিনে রাজ্যের শাসক দলের আর রাজ্যের স্বীকৃতিও থাকবে না। এই দলটা ভবিষ্যতে অল কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস হবে। হাওড়ার এক অনুষ্ঠানে এসে নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচন হলে পঞ্চায়েতে রাজ্যের শাসক দলকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

নওশাদ বলেন, এখন তৃণমূল কংগ্রেস আর সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেই। আগে এআইটিসি ছিল, এখন ডব্লুবিটিসি হয়েছে। আর আগামী দিনে একেটিসি হবে তৃণমূল কংগ্রেস। অর্থাৎ তৃণমূল হবে অল কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস। আগামী দিনে তৃণমূলের আর কোনো স্বীকৃতিই থাকবে না।
শুক্রবার হাওড়ায় এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নওশাদ সিদ্দিকী রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে একহাত নেন। তিনি মুখ খোলেন মুকুল রায় প্রসঙ্গেও। তিনি বলেন, বাপ-ব্যাটার নাটক চলছে। দিল্লিতে ছুটে গেছেন মুকুল রায়, এটা দেখে মনে হচ্ছে শাসকদলেরই কোনো সেটিং।

নওশাদ বলেন, দিল্লির সঙ্গে সেটিংয়ের দরকার আছে। তাই এই নাটক চলছে। তিনি বলেন, আমরা সকলেই চাই আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হোক। অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ হোক। তাহলে দেখবেন বাংলার শাসক দলকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
আইএসএফ বিধায়কের কথায়, মানুষ যাকে ভোট দেবে তারাই এখানে শান্তিপূর্ণভাবে পঞ্চায়েত চালাবে। এটাই আমরা চাইব।হাওড়ার ল্যাডলো জুমিল বাজারে কয়েকদিন আগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলতে এদিন হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় আসেন নওশাদ সিদ্দিকী।
এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেন আইএসএফ বিধায়ক। তিনি দোকানদারদের ক্ষতিপূরণ এবং ঘটনার ফরেনসিক তদন্তের দাবি তোলেন। ভাঙরের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বলেন, এই ঘটনায় অন্তর্ঘাত রয়েছে।

তাঁর কথায়, বেশ কয়েকটি বিষয় দেখলেই বোঝা যাবে এটি আদৌ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নয়, আগুন লাগানোর ঘটনা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এখানে এত বড় ওয়াটার রিজার্ভার আছে, সেখানে জল মজুত থাকে। তা সত্ত্বেও সেদিন সেই জল কেন ব্যবহার করা হয়নি, সেই প্রশ্ন সোলেন নওশাদ সিদ্দিকী।
তাঁর আরও প্রশ্ন, কেন দমকলের পৌঁছতে ঘন্টা দুয়েক সময় লেগে গিয়েছিল, দমকল এসে পৌঁছলেও কেন তাদের ইঞ্জিনে পর্যাপ্ত জল ছিল না। কেন সেদিনে এখানকার সিকিউরিটি গার্ডকে ঘটনার পর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন আগুন লাগার ঘটনা না এখানে আগুন লাগানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications