শাসন থানায় ঢুকে বচসা নওশাদ সিদ্দিকীর? পুলিশকে 'দালাল' বলে আক্রমণ!
কর্তব্যরত পুলিশকে দালাল বলে আক্রমণ ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর। বেনজির ভাবে পুলিশকে এই আক্রমণ করেছেন তিনি। শাসন থানায় ঢুকে পুলিশ কর্মী ও অফিসারদের উদ্দেশ্যে মেজাজ হারান নবীন এই বিধায়ক। তাঁর ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
শাসন থানার পুলিশও নওশাদ সিদ্দিকীর ব্যবহারে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ। এক মহিলা আধিকারিকের সঙ্গে নওশাদ সিদ্দিকী রীতিমতো তর্কে জড়িয়ে যান। " দালালকে দালাল বলেছি", জোড় গলায় এমন কথাও নওশাদকে বলতে শোনা যায়। ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিক নওশাদকে শান্ত হতে বলেছিলেন।

সেই সময় ভাঙড়ের বিধায়ক তাঁর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশের কাজ ঠিক মতো করতে বলা হয়। বচসার সময় আবারও একাধিকবার পুলিশকে দালাল বলে আক্রমণ করা হয়। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীকে এভাবে 'দালাল' বলে আক্রমণ করার যায় না। নওশাদ বিধায়ক হয়েছেন বলে এই কাজ করতে পারেন না। জোর গলায় এমনই দাবি করেছিলেন ওই মহিলা আধিকারিক।
কিন্তু কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে এমন হল? বৃহস্পতিবার বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের একাধিক জায়গায় নওশাদ সিদ্দিকীর সভা রয়েছে। শাসন এলাকায় আইএসএফ কর্মীরা তাদের পতাকা লাগাচ্ছিল। সেই সময় তৃণমূলের সঙ্গে তাদের বসা হয়। তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হন আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা।
শাসন থানা এলাকার কয়েকটি জায়গায় এদিন সকালে দলীয় পতাকা লাগাচ্ছিলেন আইএসএফের কর্মী সমর্থকরা। অভিযোগ, তৃণমূল তাদের এসে বাধা দেয়। আইএসএফ কর্মী সমর্থকদের মারধর করা হয়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকা।
পুলিশ বাহিনী এসে তৃণমূল কর্মীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। লাঠি উঁচিয়ে তৃণমূল কর্মীদের তাড়া করতে দেখা যায় পুলিশকে। বেলার দিকে শাসনে পৌঁছান বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয়। পুলিশকে দালাল বলে আক্রমণ করেন তিনি। থানার মধ্যে একজন বিধায়ক এমন আচরণ করছেন? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।












Click it and Unblock the Notifications