রবীন্দ্রভাবনায় 'আত্মনির্ভর ভারত'এর যোগ! বঙ্গ-মন জয়ে বিশ্বভারতীর অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মোদীর কোন সোচ্চার
বিশ্বভারতীর ১০০ বছরপূর্তী অনুষ্ঠানে ২৪ ডিসেম্বর বাংলার মাটিতে এসেই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তবে পরে জানানো হয়, তিনি ভার্চুয়াল সভায় যোগ দেবেন। আর সেই মতো এদিন বিশ্বভারতীর আচার্য নরেন্দ্র মোদী দিল্লি থেকে এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল সভায় যোগ দেন। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় এই বছর ১০০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান পালন করে ৮ ই পৌষ।

হে বিধাতা দাও দাও মোদের গৌরব
'হে বিধাতা দাও দাও মোদের গৌরব' এই বক্তব্য দিয়ে শুরু করে মোদী বলেন,গুরুদেব কখনও এই কামনা পড়ুয়াদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য করেছিলেন, আজ বিশ্বভারতীর গৌরবের ১০০ বছরের পূর্তিতে গোটা দেশ হে বিধাতা গৌরব দাওয়ের কামনা করছে।

গৌরবের পর্ব
বিশ্বভারতীর ১০০ বছরের পূর্তি প্রতিটি ভারতবাসীর জন্য গৌরবের ঘটনা। আজকের দিনে এই তপভূমির পূণ্য স্মরণ করতে পেরে আমি গর্বিত। ১০০ বছরের এই যাত্রা খুবই বিশেষ। মা ভারতীর জন্য বিশ্ব ভারতী, গুরুদেবের চিন্তন, দর্শনের মেলবন্ধন। ভারতের জন্য গুরুদেব যে স্বপ্ন দেখেছিলেন , তার মূর্তি রূপ দিতে এটি আরাধ্য স্থল।

গ্রামোন্নয়নের কাজ
প্রধানমন্ত্রী বলেন,বিশ্বভারতী চিরকালই নুতন ভারতের চেষ্টায় রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে জড়িত প্রতি মানুষকে কুর্ণিশ। বিশ্বভারতীর সঙ্গে গ্রামোন্নয়নের কাজ প্রশংসনীয়। যোগ বিভাগের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। প্রকৃতির সঙ্গে মিলে এমন পঠনপাঠন বড় বিষয়। দেশ বিশ্বভারতীর থেকে পাঠানো বার্তাকে বিশ্বের কাছে পাঠাচ্ছে।

আন্দোলনের পথ ও ভারত
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বিশ্বভারতীয় মূল। ভারতের আধ্যাত্মিক ও সাসংস্কৃতিক একতাকে ভক্তি আন্দোলন এক করেছিল। যা স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ভক্তির অধিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করেই স্বাধীনতা আন্দোলের বীজ বপন হয়েছে। এই প্রসঙ্গে, রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব, স্বামী বিবেকান্দের প্রসঙ্গ তোলেন মোদী।

রাষ্ট্রবাদ ও রবীন্দ্রনাথ
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ ভেবেছিলেন, যা ভারতের শ্রেষ্ঠ তাই যেন বিশ্ব পায়, আর বিশ্বের সেরা বিষয় যেন ভারত পায়। সেই জায়গা থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ। তাঁর এই ভাবনা , আত্মনির্ভর ভারতের একটি মার্গ দর্শন করেছে। এপ্রসঙ্গে মোদী বলেন, রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছিলেন, নিজের আত্মা র কথা শুনে দেশের আত্মার মঙ্গলের রাস্তা।

১০০ বছরে তৃতীবার পৌষ পার্বন হল না
মহামারীর সময় এবার পৌষমেলার অনুষ্ঠান হয়নি, বলে এদিন ক্ষেদ প্রকাশ করেন মোদী। তিনি বলেন, পৌষমেলাই 'ভোকাল ফর লোকাল' এর অন্যতম বড় প্রমাণ। তিনি বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের টাস্ক দেন। তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় এই লোকশিল্পীদের কাজ কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তার চেষ্টা করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications