রেকর্ড রাখতে হবে সবকিছু! হাইকোর্টের নির্দেশে সিসিটিভির নজরদারিতে গৃহবন্দি হলেন ফিরহাদ
কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্সি জেল থেকে চেতলার বাড়িতে ফিরলেন ফিরহাদ (ববি) হাকিম। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ প্রেসিডেন্সি জেল থেকে বেরিয়ে পুলিশের গাড়িতে চেতলার বাড়িতে ফে
অবশেষে জেলমুক্তি! কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্সি জেল ছাড়া পেলেন ফিরহাদ হাকিম। জেল থেকে ছাড়া পেলেও আপাতত চেতলার বাড়িতে গৃহবন্দি অবস্থাতেই থাকতে হবে তাঁকে।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ প্রেসিডেন্সি জেল থেকে বেরিয়ে পুলিশের গাড়িতে চেতলার বাড়িতে ফেরেন তিনি। অন্যদিকে ফিরহাদ সহ চার নেতা-মন্ত্রীর জামিনের আবেদনের শুনানির জন্যে বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরি করছে কলকাতা হাইকোর্ট।
তবে এদিন আদালতের নির্দেশে গৃহবন্দি অবস্থাতে থাকলেও বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা মানতে হবে রাজ্যের মন্ত্রীকে। যেমন একদিকে যেমন সিসিটিভির আওতায় থাকতে হবে তাঁকে। অন্যদিকে কার সঙ্গে কখন কি কথা বলছেন সমস্ত তথ্য রেকর্ড করা থাকবে। এমনটাই নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের।
ঘরে বসে সরকারি কাজ করার নির্দেশ দিলেও আদালত জানিয়েছে, আপাতত কোনও দলীয় নেতা-কর্মী এমনকি, সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গেও ফিরহাদ দেখা করতে পারবেন না। সব কাজই করতে হবে অনলাইনে। অনলাইনে ফাইল দেওয়া-নেওয়া হবে, আলোচনা করতে হবে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ে। আর এই নির্দেশ প্রসঙ্গে ফিরহাদের কন্যা প্রিয়দর্শিনী।
তাঁর কথায়, ''বাবার হাতে পেন্সিল দিয়েছে কোর্ট। কিন্তু শিসটা ভেঙে দিয়েছে!''অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম আজই ছাড়া পাচ্ছেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভিড় জমতে থাকে। জেলের বাইরে। তৃণমূলের একাধিক নেতা-কর্মী ছুটে চলে আসেন প্রেসিডেন্সী হাসপাতাল চত্বরে।
কিন্তু এতে বিপদ হতে পারে, আর সেই আশঙ্কা থেকেই প্রিয়দর্শিনী তৃণমূলের সদস্য-সমর্থক এবং ফিরহাদের অনরাগীদের জানান, তাঁরা যেন সংশোধনাগারের ফটকে বা চেতলার বাড়ির আশেপাশে ভিড় না জমান। তাতে 'আইনি জটিলতা' তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এদিন প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সামনেও পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।
যাতে উৎসাহীরা সেখানে ভিড় না জমাতে পারেন। আদালতের নির্দেশ শোনার পর প্রিয়দর্শিনী সেখানে গিয়েছিলেন। তিনি সেখানে দাঁড়িয়েই বলেন, ''বাবা কিন্তু জামিন পাননি। উনি কিন্তু এখনও অ্যারেস্টেড। তাঁকে হাউস অ্যারেস্ট হয়ে থাকতে হবে। ফলে কেউ এমন কিছু করবেন না, যাতে আইনি জটিলতা তৈরি হয়''
অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টে একটি ক্যাভিয়েট দাখিল করেছেন প্রিয়দর্শিনী। সিবিআই যাতে এ সংক্রান্ত মামলায় নতুন কোনও আবেদন জানিয়ে আদালতে একতরফা শুনানি করাতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যেই এই ক্যাভিয়েট।
যদিও সিবিআইয়ে তরফেও পালটা ক্যাভিয়েট দাখিল অরে রাখা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications