কেন এতদিন পর গ্রেফতারি? আদালতের তোপের মুখে সিবিআই! ফের বুধবার শুনানি
নারদ মামলায় চার হেভিওয়েট নেতা সোমবারও স্বস্তি পেলেন না। ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় জামিন পেলেন না এদিনও। চারজনকেই আরও দুদিন গৃহবন্দি অবস্থাই থাকতে হবে। পরবর্তী শুনানি বুধবার।
বেল না জেল! আজ সোমবারও সেই আশঙ্কার মধ্যেই থাকতে হল নারদ-কাণ্ডে অভিযুক্ত চার নেতাকে। যদিও আপাতত গৃহবন্দি অবস্থাতেই থাকতে হচ্ছে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। নারদ মামলার পরবর্তী শুনানি ফের বুধবার।

দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে সোমবারের মতো স্থগিত হল নারদ মামলার শুনানি। এদিন মামলার শুনানির শুরু থেকেই কাজত ব্যাকফুটে চলে যায় সিবিআই। একের পর এক প্রশ্ন তোলে লার্জার বেঞ্চ। প্রশ্ন ওঠে সিবিআই কেন সুপ্রিম কোর্টে গেল। আদালত জানায়, গৃহবন্দি থাকাটা তো কোনও নির্দেশ না। তাহলে।
শেষমেশ সিবিআইয়ের সমস্ত আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। বুধবার বঙ্গ উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের আছড়ে পড়ার কথা। ফলে সেদিন ভারচুয়াল শুনানি কি আদৌ সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতিরাই।
গত শুক্রবার এই সংক্রান্ত শুনানিতে ৪ নেতার অন্তর্বর্তী জামিন নিয়ে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের মতানৈক্য হওয়ায় বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরি করা হয়। প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের সঙ্গে এই বেঞ্চের অন্যান্যরা হলেন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন।
এঁদের এজলাসেই জামিন মামলার শুনানি শুরু হয় বেলা ১১টায়। এর মাঝেই মামলার শুনানি স্থগিত রাখার আবেদন জানান সিবিৈ। কিন্তু তাঁদের সেই আরজি এদিন খারিজ হয়ে যায় আদালতে। বিচারপতিরা প্রশ্ন করেন, ঘূর্ণিঝড় এলে বুধবার কীভাবে হবে এই মামলার শুনানি হবে?
এদিনের শুনানিতে চার নেতার গ্রেপ্তারি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি সৌমেন সেন। তাঁরা জানতে চান. গত সাত বছর ধরে এই মামলা চললেও কেন অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়নি?
হঠাৎ চার্জশিট পেশের দিনই কেন তাদের গ্রেপ্তার করতে হল? তার সঠিক জবাব দিতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বেলা দেড়টা পর্যন্ত শুনানিতে মামলার 'ইস্যু ফ্রেম' করা হয় বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications