মনের জোর রাখুন, এটা রাজনৈতিক লড়াই চলছে: মুর্ছে পড়া সুব্রত-জায়াকে ফোনে বার্তা মমতার

বেশ কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও জেল বন্দি অবস্থাতেই রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এখনও মেলেনি জামিন। জেলে না থাকলেও, এই মুহূর্তে এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

বেশ কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও জেল বন্দি অবস্থাতেই রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এখনও মেলেনি জামিন। জেলে না থাকলেও, এই মুহূর্তে এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

মুর্ছে পড়া সুব্রত-জায়াকে ফোনে বার্তা মমতার

জানা যাচ্ছে নেবুলাইজর চলছে মাঝে মধ্যেই। শ্বাসকষ্ট থাকায় হৃদযন্ত্রের সামান্য সমস্যা রয়েছে। রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠা নামা করছে। প্রচন্ড বিরক্ত তিনি এদিনের শুনানি স্থগিত হওয়ায়। রাজনৈতিক লড়াইয়ের ফল এই সিবিআই টানাপোড়েন, মত তাঁর।

সূত্রের খবর, আজ এতটাই বিরক্ত ছিলেন তিনি যে ঠিক করে চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথাও বলেননি। চিকিৎসকরাও বলছেন, মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে ঘটনাপ্রবাহের কারণে। যদিও বারবার হাসপাতাল ছুটে যাচ্ছেন সুব্রত জায়া। জামিন না হওয়াতে কিছুটা হলেও ভেঙ্গে পড়েছেন তিনিও।

এই অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী ছন্দাবাণী মুখোপাধ্যায়কে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সন্ধায় সুব্রত জায়াকে ফোন করেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন মন্ত্রীর স্ত্রীকে বলেন, রাজনৈতিক হিংসার শিকার হচ্ছেন সুব্রতবাবু । অন্যায় ভাবে আটকে রাখা হচ্ছে । মনের জোর রাখুন। শরীরের দিকে নজর দিন। এটা রাজনৈতিক লড়াই চলছে। ছন্দবাণীকে এভাবেই ফোন আশ্বাস দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, ফিরহাদের জন্যে দুপুরেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন তাঁর কথা। আর বিকেলেই নবান্ন থেকে কালীঘাট ফেরার পথে পৌঁছে গেলেন প্রিয় ববির বাড়িতে। চেতলায় ফিরহাদ হাকিমের বাড়িত গিয়ে এদিন ফিরহাদের মেজো মেয়ে সাবা হাকিমের সঙ্গে কথা বলেন মমতা।

উদ্বিগ্ন তৃণমূলনেত্রী খোঁজ নিলেন ফিরহাদ হাকিমের স্বাস্থ্যের, খুঁটিয়ে জানতে চান তাঁর জ্বর কমেছে কিনা, পেটের সংক্রমণের অবস্থা কেমন। সমস্ত বিষয়ে জানতে চান।

বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে কালীঘাটে যাওয়ার পথে তিনি হঠাৎ করেই চলে যান চেতলায়। কনভয় দাঁড়িয়ে রাস্তায়। তিনি পৌঁছে যান ফিরহাদ হাকিমের বাড়ির সামনে। যদিও সেই সময়ে ববি'র স্ত্রী ও বড় মেয়ে বাড়িতে ছিলেন না। দু'জনেই ছিলেন প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে পৌঁছে এই বিষয়ে জানতে পারেন। তিনি কথা বলেন সাবা হাকিম ও আফসা হাকিমের সাথে। ববির দুই মেয়ের থেকেই তিনি জানতে চান তাঁদের বাবা কেমন আছেন। শারীরিক সমস্যা কী কী আছে, সেগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ আপডেট নেন।

এর পরে তিনি ফোন করেন ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী'কে। তিনি বাড়িতে এসেছেন জানতে পেরে ফিরহাদের মেয়ে প্রিয়দর্শিনীকে তড়িঘড়ি যেতে বলেন ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী। কিন্তু ততক্ষণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে ফোনে তিনি কথা বলেন ফিরহাদ কন্যার সঙ্গেই। ফিরহাদের বাড়িতে গিয়ে তিনি বলে এলেন, 'ববিকে জেল থেকে বের করে নিয়ে আসার দায়িত্ব আমার'।

শুধু তাই নয়, দুই মেয়েকে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে মমতা বলেছেন, 'ববিকে জেল থেকে বের করে নিয়ে আসার দায়িত্ব আমার। ববি আমার দলের একনিষ্ঠ সৈনিক। ওকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে। ও কলকাতা পুরসভায় না থাকায় কলকাতায় কোভিড মোকাবিলায় সমস্যা হচ্ছে।

উদ্দেশ্যপ্রণদিতভাবে ওকে আটকে রাখা হয়েছে। পরিবারের সবাই যাতে সুস্থ থাকেন, খাওয়া দাওয়া করেন, সে কথাও বলে এসেছেন মমতা। মন্ত্রীর মেয়েরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁদের বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। জানা গিয়েছে, মিনিট ১৫ সেখানে থেকে কথাবার্তা বলেন মমতা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+